fbpx

উপসম্পাদকীয় জুন ২০২৪

গাজায় সাধারণ মানুষের উপর আগ্রাসনের ২৫০ দিন হয়ে গেল। এখন পর্যন্ত ১৫০০০ এর উপর মানুষ মারা গিয়েছে।

ছোট বড় কাউকে নিস্তার দিচ্ছে না এই যুদ্ধ।  এই হামলার জের ধরে  বিশ্বব্যাপী চলছে পশ্চিমা পণ্য বয়কটের কার্যক্রম। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশে কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোমল পানীয় ‘কোকাকোলা’ এর পাশাপাশি আরো কিছু পণ্য বয়কটের ডাক ওঠে। বয়কটের মুখে বিক্রি কমে যায় কোকাকোলার।

তবে সময়ের সাথে যখন মানুষ ভুলতে বসেছে বয়কটের কথা, ঠিক তখনই কোকাকোলা বাংলাদেশের একটি বিজ্ঞাপন যেন ফের উস্কে দিয়েছে সবকিছুকে। সাম্প্রতিক কোকাকোলা বাংলাদেশ এর বিজ্ঞাপন হিড়িক ফেলেছে ভার্চুয়াল দুনিয়াতে। চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা; শুধু বিজ্ঞাপন নিয়ে নয়, বিজ্ঞাপনে অভিনয় করা অভিনেতাদের নিয়েও।

পণ্যের বেঁচাকেনা কমে যাওয়ায় বিজ্ঞাপনে বলা হচ্ছে বহু বছর ধরে বাংলাদেশসহ ১৯০ টি দেশে

চলছে কোক, তবে কোক ইসরাইলী পণ্য হলো কীভাবে? এও বলা হচ্ছে ফিলিস্তিনেই তো আছে কোকাকোলার ফ্যাক্টরি।  বিজ্ঞাপনের প্রকাশের আগে মানুষের সেন্টিমেন্ট কিভাবে নেবে সেটাও যাচাই করা বিজ্ঞাপন নির্মাতার কাজ।

তারপরেও আমাদের দেশের মত সারা বিশ্বের বয়কটের ডাকে কতটুকু প্রভাব ফেলছে সামগ্রিক যুদ্ধের পরিস্থিতিতে?

পুনশ্চ – ২০২১ এর জুন মাসে, ফুটবল তারকা ক্রিশ্চিয়ান রোনালদো, প্রেস ব্রিফিঙের ডেস্ক থেকে দুটি কোকাকোলার বোতল সরিয়ে, বলেছিলেন “পানি”। শুধু এইটুকুতেই কোকাকোলার শেয়ার এর দাম ১.৬% কমে গিয়েছিল, এবং কোম্পানির সম্পদ ২৪২ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ২৩৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। আমাদের তারকারা এরকম কিছু করলে কি দেশের মানুষের মাঝে আরো বেশি প্রভাব ফেলতো না?