আমরা একদল শিক্ষার্থী – বর্তমান ও প্রাক্তন। প্রাক্তনদের মধ্যে কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কেউ গবেষক, কেউ বুদ্ধিজীবী, কেউ আমলা, কেউ ব্যাংকার এবং কেউ বা আরো নানা পেশায় দেশ বিদেশে ছড়িয়ে রয়েছেন। আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। আমাদের পরিবারকে সবাই ‘পরিসংখ্যান বিভাগ’ নামে চেনে। আমাদের আবাসস্থল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন কাজী মোতাহার হোসেন ভবন-এর চতুর্থ তলায়। উৎপত্তিকাল থেকে আমরা পরিসংখ্যান পরিবার নামে পরিচিত হলেও মধ্যে কিছু দিন আমরা ‘পরিসংখ্যান, প্রাণপরিসংখ্যান ও তথ্য পরিসংখ্যান বিভাগ’ নামে পরিচিত ছিলাম; বর্তমানে আমরা পূর্ব নামে প্রত্যাবর্তন করেছি। যে যেখানেই থাকি না কেন পরিসংখ্যান পরিবারের সদস্য হিসেবে আমাদের বন্ধন অটুট রয়েছে।

‘প্যাপাইরাস’ আমাদের পরিবারের আবেগের কেন্দ্রবিন্দু। এটি আমাদের নিজস্ব একটি নিয়মিত প্রকাশনা। আমরা এটিকে পত্রিকা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করি। ‘প্যাপাইরাস’ প্রকাশনার মাধ্যমে আমরা, ছড়িয়ে থাকা পরিবারের সদস্যরা একে অন্যের কাছাকাছি আসার সুযোগ পাই। কখনো সাহিত্য চর্চার মাধ্যমে, কখনো বা পরিসংখ্যান চর্চার মাধ্যমে। আমরা প্যাপাইরাস-এর মাধ্যমে আমাদের আবেগ, মুক্তচিন্তা, জ্ঞান, শিক্ষা, অনুপ্রেরণা, গবেষণা, বিশ্লেষণ, মতামত পৌঁছে দিতে চাই পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে; পৌঁছাতে চাই পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে থাকা আমাদের পরিবারের যে কোন সদস্যের কাছে। ‘প্যাপাইরাস’ বিভাগের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং পরিবারের কনিষ্ঠ সদস্যদের – যারা বেশির ভাগই বর্তমান শিক্ষার্থী – প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে পরিচালিত হয়। পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে বিভাগের শিক্ষকমন্ডলী সব সময়ই তাদের সুপরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেন এবং বিভাগ কর্তৃক নির্বাচিত একজন যোগ্য ব্যক্তিত্ব যিনি বিভাগে শিক্ষক হিসেবে রয়েছেন এর প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রধান সম্পাদককে প্রত্যক্ষ ভাবে সহযোগিতা করেন বতর্মান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের কয়েক জন। এছাড়াও পরিবারের সদস্য যারা দেশে-বিদেশে রয়েছেন তারা সব সময়ই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন পরিবারের এ আবেগের স্থানটা সমুন্নত রাখতে।

0