fbpx

আক্ষেপ

রঙিন বিকেলগুলি হয়ে উঠেছে কেমন যেন ফ্যাকাশে! অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি দূর ঐ আকাশে। সন্ধ্যায় পাখিরাও দেখো, কত সুন্দর ফিরছে

বিস্তারিত পড়ুন

যন্ত্র

যন্ত্রের ছোঁয়ায় হারিয়ে ফেলেছিসহজ সরল সুন্দর দিনগুলি;হাতের ছন্দে নীরব কথাবার্তায়ফুরিয়ে গেছে মুখের বুলি। সৌন্দর্য ও চাকচিক্যের আড়ালেবয়ে চলেছে মনে অশান্তি;নিখুঁত

বিস্তারিত পড়ুন

এই শহরে-২

এই শহরে জীবন ডারউইনের তত্ত্ব মেনে চলে প্রগাঢ়ভাবে।বেঁচে থাকার স্বপ্নেরা প্রতিনিয়ত এই শহরেই ছুটে আসে ঝাঁকে ঝাঁকে।টিকে থাকার ওই অমোঘ

বিস্তারিত পড়ুন

প্রণয় ছলনা

নিশি দিন এক করছে বলেললনারে মুগ্ধ করবার ছলে;রচিলে কবিতা চাঁদের তুল্য,সেই প্রণোদনার কোথায় মূল্য। রচিয়াছ যত কঠিন কাব্যে-শিউলী-জুঁইয়ের মালা মিলাবে,কবে

বিস্তারিত পড়ুন

আত্মপরিচয়

আমি রূপকথার তুষারশুভ্র রাজকন্যা নই,কনকনে শীতের ভোরে আগুন পোহাতে থাকাঅগ্নিবালিকা আমি,চিনেছো আমায়?আমি বিলাসী কাব্যের অভিমানী নায়িকা নই,জীর্ণ বস্ত্র, ছেড়া কম্বল

বিস্তারিত পড়ুন

জীবনের প্রতি কিছু শব্দ

ওহে জীবন,কত রুপ যে তুমি দেখালেকখনো জিতিয়েছ কখনোবা ঠকালে ওহে জীবন,কখনো দিয়েছ তুমি আমায় হাসি উপহারকখনো দিয়েছ এত কষ্ট, ফেটে

বিস্তারিত পড়ুন

অভিমানে অনুরাগে

এই যে আমি রোজ রাতে একা একাই মরি,রোজ সকালে একাই বাঁচি,এতে তোমার কিচ্ছু আসে যায় না?— না। কেন?— অরুচি ধরে

বিস্তারিত পড়ুন

দৃষ্টি

সে যে উঁকি মারে, একা একাদেয়ালের ঐ বাঁকেহলুদের রঙে রঞ্জিত হয়েকার পানে চেয়ে থাকে!কাজলের আঁচে টানাটানা চোখেকার পথ ছুয়ে চলে!হাসির

বিস্তারিত পড়ুন

বিড়াল

(বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিড়াল প্রবন্ধ থেকে কাব্যে রূপান্তর) আমি শয়নগৃহে বসিয়া চারপায়ীতেঝিমাইতেছিলাম ধরিয়া হুকা হাতেক্ষুদ্র আলো মিটমিট করিয়া জ্বলেপ্রেতবৎ নাচিতেছে, ছায়া

বিস্তারিত পড়ুন

রঙিন প্লাবন

পৃথিবীর বহু জায়গায়শরৎ এলেই রং ছড়ায় চারপাশ।তাকালেই অদ্ভুত আনন্দে ভরে ওঠে মন!শীত আসছে জানিয়ে–রঙিন পাতাগুলো ঝরে যেতে থাকে একে একে।হেঁটে

বিস্তারিত পড়ুন

ব্যস্ত শহর

শহর ব্যস্ত, মানুষ ব্যস্তব্যস্ত সকল পথ।চলছে গাড়ি অবিশ্রান্ত,স্বপ্ন চোখে, মন ক্লান্ত। ব্যস্ততার ভীড়ে,পাইনা খুঁজে সাথী।জমে থাকা কথাগুলো,বলা রয়ে যায় বাকী।

বিস্তারিত পড়ুন

আমি একজন সাধারণ প্রেমিক

আমি তো কবি না-যে কবির ভাষায় কবিতা লিখে বলব ভালোবাসি।আমি কোনো বীর ও না–যে বীরের মতো তোমাকে বলব ভালবাসি। আমি

বিস্তারিত পড়ুন

কাঠগোলাপ

আত্ম-বিজারী মনে যদি জাগতো আবার প্রাণ,সুরেলা কণ্ঠে গাইতো আমার কাঠগোলাপের গান। দিন ঘনিয়ে রাত্রে যখন চাঁদের আলো আসে,কাঠগোলাপের শুভ্র মায়ায়

বিস্তারিত পড়ুন

প্রেম অম্লান

আমাকে তুমি গুম করে ফেললুকিয়ে ফেল তোমার মনের অরণ্যেআমি হারিয়ে যেতে চাই,আমি মিশে যেতে চাই নীল জ্যোৎস্না আর প্রজাপতির তারুণ্যে।

বিস্তারিত পড়ুন

নিঃসঙ্গতার সুর

আমি একা, চির একা!জনমানুষের ধর্মঘটে ট্রাফিক পুলিশ হয়ে রোদ চিবুচ্ছি।কোথাও শান্তি নেই, সুখ নেই, প্রেম নেই, প্রাণ নেই—আছে শুধু হুলুস্থুল

বিস্তারিত পড়ুন

দিগ্বিজয়

অগ্নি আধিপত্যে সদা নত শির, শুষ্ক রোদ্দুর তপ্ত দুপুরে।পথহারা পথিক মুখ তুলে চায় চোখে ক্লান্তি এলে। পিছনে রয়ে যায়, সদ্য

বিস্তারিত পড়ুন

দূরত্ব

এই তো সেদিনযখন ইচ্ছা হলেইছুটে যেতাম তোমার কাছে;যখন একলা হলেইরাজ্যের গল্প জুড়ে দিতাম তোমার সাথে;যখন রাগ হলেইখুব করে বকে দিতাম

বিস্তারিত পড়ুন

প্রেমের আবর্তন

প্রেম এসেছিলোতোমার ঐ কালো মুখের স্নিগ্ধ চোখেএসেছিলোশুকনো খেজুরের ন্যায় তোমার অধরেএসেছিলোউত্তপ্ত রোদে নির্লিপ্ত সলজ্জ চাহনিতেএসেছিলোতোমার মাথার জটলা ধরা ঐ কুন্তলেএসেছিলোভৈরবের

বিস্তারিত পড়ুন

মুজিব

টুঙ্গিপাড়ায় জন্মেছিলমুজিব নামের ছেলেতার ছোঁয়াতে মুগ্ধ হতোশ্রমিক, চাষা, জেলে। ন্যায়ের কথা বলতো সদাঅটল ছিল তাতে।স্বাধীন দেশের স্বপ্ন মনেবুনত দিনে রাতে।

বিস্তারিত পড়ুন

দূর, সত্যিই কতদূর?

সামনে যে শীত—সাহসের অভাবে সংকোচ আজও কমেনি কিছু,কানে কানে শুনি শুধু ঝরে পড়ার গীত।ঝরা পাতা আর কতদূর যায়?যেখান থেকে মাড়ানোর

বিস্তারিত পড়ুন

রক্তগঙ্গা

হায় কত রক্তআমার মানচিত্রে আজ এত রক্ত কেনপুব থেকে পশ্চিমে, উত্তর থেকে দক্ষিণেচেয়ে দেখ রক্তটেকনাফ হতে তেঁতুলিয়া, মনাকশা হতে থানচিএকি

বিস্তারিত পড়ুন