সম্পাদকীয় জানুয়ারী ২০০৪

বর্ষার কালো মেঘের আড়াল থেকে অবশেষে সূর্য্যিমামার হাসি দেখা গেলো। আমাদের প্যাপিরাস আশা নৈরাশ্যের দোলায় দল খেতে খেতে স্থির হল। অর্থাৎ প্যাপিরাস সংখ্যা- এঃ জানুয়ারি-জুন ২০০৪ অবশেষে প্রকাশিত হল। প্যাপিরাস এর এ সংখ্যাটি জুলাই-ডিসেম্বর ২০০৩ এ প্রকাশ হওয়ার কথা থাকলেও সে সংখ্যাটি প্রকাশে আমরা ব্যর্থ হই। সে জন্য আমরা পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের নিকট আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

অনেকের মতে এ ধরনের ব্যর্থতায় ক্ষমা প্রার্থনা করাটাই যথার্থ নয়। কিন্তু আমরা তা করছি না। কেননা ব্যর্থতার পেছনের কারনগুলো ক্ষমা প্রার্থনা করতে আমাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। যাহোক, প্যাপিরাস প্রকাশের ক্ষেত্রে এই বিলম্বে সামঞ্জস্য আনার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। এ জন্য প্রয়োজন সকলের নৈতিক ও কার্যকরী ইচ্ছা ও সহযোগিতা।

কিছু বিজ্ঞানমনষ্ক মানুষের সাহিত্য ও বাস্তব চিন্তাধারা ও আবেগ অনুভুতির ধারক হচ্ছে প্যাপিরাস। এ কাজে প্যাপিরাসকে কাজ করতে হয় খুবই স্বল্প পরিসরে এবং যথেষ্ট সংকীর্ণতার মাঝে। তারপরও আমরা আমাদের সামান্য অভিজ্ঞতা, ক্ষুদ্র জ্ঞান এবং সর্বোচ্চ শ্রম দিয়ে চেষ্টা করেছি সর্বাঙ্গীন সুন্দর একটি সংখ্যা প্রকাশ করতে। স্বল্পসংখ্যক পাওয়া লেখার মধ্যে থেকে অপেক্ষাকৃত ভালো লেখাগুলো নিয়ে আমরা সাজিয়েছি এবারের প্যাপিরাস। আর এ ব্যাপারে লেখা দিয়ে যে সকল ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষক –শিক্ষিকাবৃন্দ আমাদের সহযোগিতা করেছেন তাদের সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

প্যাপিরাস প্রকাশিত হয়ে হৈ চৈ ফেলে দেবে এ আশা আমাদের নেই। কারন এবারের প্যাপিরাস এমন কিছু ধারন করছে না যা আমাদেরকে চরম আনন্দে, জ্ঞানে বা বেদনায় অভিভূত করতে পারবে। নিতান্তই সাদামাটা।

তবে প্যাপিরাস চলবে। একটা সময় ছিলো যখন প্যাপিরাস ছিল রুগ্ন শিশুর মত স্পর্শকাতর। সে স্পর্শকাতরতা প্যাপিরাস কাটিয়ে উঠেছে। এখন প্যাপিরাসের এদিক ওদিক ছোটাছুটি করার সময়। আর আমরা আনন্দের সাথে জানাচ্ছি- এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ভেতরে এ ব্যাপারে পৃথক ঘোষণা রয়েছে। এক্ষেত্রেও সকলের একান্তিক সহযোগিতা আমাদের কাম্য।

সবাইকে প্যাপিরাসের পক্ষ থেকে এই বর্ষায় সিক্ত কিন্তু উষ্ণ ভালবাসা।

কমেন্ট করুন

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.