সম্পাদকীয় জুলাই ২০০২

আবারও ছাত্র ছাত্রীদের কোলাহলে মুখরিত ক্যাম্পাস। দূর্যোগের ঘনঘটা আপাতত নেই। সেশনজট কমানো ও শিক্ষাজীবনকে আরও বর্ণীল করার জন্য সবাই উদগ্রীব। সেই সাথে প্যাপিরাসও চাইছে তার নিরন্তর পথচলায় থমকে যাওয়া গতিকে তরান্বিত করতে। পাঠকদের হৃদয়ের তৃষ্ণা মেটাতে আমরা বারবার লজ্জিত হয়েছি। এবার লেখা আহ্বানে আমরা বিপুল সাড়া পেয়েছি কিন্তু কম্পোজিং ও পান্ড্রুলিপি সমন্বয়ের অভাবে এই দেরী। তবে এই প্রথম আমরা সবকিছু নিজস্ব আঙ্গিকে করছি। তাই এই মন্থর গতি।

রি

সাহিত্য চর্চা ও প্রকাশ অত্যন্ত আনন্দের। তবে আমরা আরও বহুমাত্রিক ও সৃজনশীল চর্চা চাই। যা একদিন যুগোত্তীর্ণ কথা হয়ে উঠবে। সেজন্য প্যাপিরাসপ্রেমী, কর্মী সবাইকে আমরা পাশে চাইছি। সকল সমস্যা ও অসংগতি পেরিয়ে এই প্রাণের মাধ্যমটিকে সমৃদ্ধ আমাদের করতেই হবে।

সং

বিজ্ঞান দিয়েছে বেগ কেড়ে নিয়েছে আবেগ। আসলেই কি তাই। বিজ্ঞান আজ হৃদয়ের সুক্ষ্ম অনুভূতি গুলোকে মেলে ধরছে। জীবনবোধ ও দর্শনকে করছে আরও উজ্জ্বল ও আন্তর্জাতিক। আমরাও সেই পথের পথিক।

খ্যা

প্যাপিরাস এই বিভাগের গর্ব। সেই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের। প্রচুর সাড়া পাচ্ছি আমরা। আমাদের কর্মীবাহিনী তাদের সবটুকু দিয়ে কাজ করছে। আমরাও নীতিগত ভাবে উচ্চমানের লেখা গুলোকেই নির্বাচন করছি। তাই সবার কাছে আরও বেশী বেশী লেখা চাই।

সময়ের নদী বয়ে চলেছে উদ্দাম বেগে। কিন্তু আমরা যেন থেমে আছি। যে দেশের মাটিতে, ধানের শীষে, নদীর জলে, নৌকায় ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালী, বাউল গান ছিল আজ তার বড় আকাল। বিশ্বের চারিদিকে হানাহানি, সহিংসতা ক্রমশই বাড়ছে। এ অবস্থা থেকে আমাদের উত্তরণ চাই। চাই প্রকৃত শিক্ষা আর সুন্দরের সবটুকু আলো। এ যেন এক অনিবর্চনীয় চাহিদা। সৃষ্টির আদি থেকে এ পর্যন্ত জীবনবোধের সমগ্র বিবর্তন ও বিকাশে যার ভূমিকা অপরিসীম। তাই হৃদয়ে ধারণ করতে হবে সেই বহুমাত্রিক সত্তাকে। ভালবাসা। যা সবার মাঝে বিলিয়ে দিতে হবে। তবেই আমরা উন্নত হব। চির উন্নত মম শির।

কমেন্ট করুন

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.