শ্যামদেশের রাজা এবং সক্ষমতা অর্থনীতি দর্শন

এক দেশে ছিলো এক রাজা
তার ছিলো না রাণী
আমি কি গল্প জানি।।

গল্প না জানলেও নিজ চক্ষে দেখা এবং নিজ কানে শোনা বিষয়াবলী অন্যের কাছে গপ্প, গালগপ্প, গল্প এমনই প্রতীয়মান হবে। যে গল্পে বৈচিত্র্য আছে,যে গল্প মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়, সে গল্প সকলের কানেই পৌঁছে দেয়া প্রতিটি সচেতন মানুষের কর্তব্য। তেমনই এক রাজার কাহিনি এটা। এককালে আমাদেরও রাজা ছিল। তবে সে রাজার সাত রাণী থাকতো, অনেক দাসী-বাঁদি থাকতো, হয়তো একটি সন্তানের জন্য রাজা খুবই বিচলিত থাকতেন। অথবা হীরক রাজার দেশের মতো রাজার অনেক প্রাচুর্য্য থাকলেও দেশের নাগরিক অনাহারে,অর্ধাহারে দিনাতিপাত করতো। কিংবা রাজার সুয়োরাণী দুয়োরাণীকে নিয়েই দেশের নাগরিকদের দুঃচিন্তা করতে করতে দিন-মাস-বছর কেটে যেতো।

আমি থাই রাজার গল্প বলার ফাঁদ পেতেছি। থাইল্যান্ডের রাজা ভূমিপাল ১৯২৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যামব্রিজ শহরে জন্মগ্রহণ করেছেন। শৈশবে, কৈশোরে এবং যৌবনকালে তাঁর দুরন্ত সময় কেটেছে সুইজারল্যান্ডে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা শেষ হওয়ার পরই রাজা দেশে ফিরে আসেন। ১৯৪৬ সালের ৮ই জুন রাজা সিংহাসনে আরোহনের দিনই ঘোষণা করেন,”আমি দেশের মানুষের সুবিধা বৃদ্ধিসহ দুঃখী মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই”।শুধু কথায় নয়, রাজা সিংহাসনে আরোহনের পর পরই সাধারণ মানুষের সাথে মিলে মিশে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মনোনিবেশ করেন। ঘুরে বেড়ান দেশের উত্তর-দক্ষিণ-পূর্ব এবং কেন্দ্রীয় অঞ্চলের প্রতিটি কোনায় কোনায়। সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা শুনেন। বন্যা,ক্ষরা,দুর্ভিক্ষের সময়ও রাজা থেমে নেই। ছুটতে থাকেন দেশের এ প্রান্ত থেকে সে প্রান্ত পর্যন্ত। দেশের বিরাজমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেন। রাজ উদ্যোগে বাস্তবায়িত হতে থাকে স্বাস্থ্য, মাটি, ফসল,বনায়ন প্রভৃতি উন্নয়ন প্রকল্প। রাজার উদ্যোগে গৃহীত প্রকল্পসমূহকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়  (১)  অ-বাণিজ্যিক  প্রকল্প এবং (২) আধা-বাণিজ্যিক প্রকল্প। রাজ প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ এবং মূল্যায়নে রাজার সরাসরি অংশগ্রহণ ছাড়াও সরকারের বিভিন্ন সংস্থা কার্যকর ভূমিকা পালন করতে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়, পাবলিক সেক্টর, প্রাইভেট সেক্টর, সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন সকলেই এ ধরনের প্রকল্পের সফলতার দাবিদার। রাজা নিজে জমিতে ফসল ছিটিয়ে কাদা মাটিতে হাঁটাচলা করে প্রকল্প বাস্তবায়নে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করে তোলেন। এ রাজা পরিশ্রমী রাজা,ঘুমন্ত মানুষকে জাগ্রত করতে সদা সচেষ্ট এক রাজা।

এ রাজা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা আনয়নের জন্য অর্থনীতিতে নতুন তত্ত্বের অবতারণা করেন যা New Theory বা Sufficiency Economy নামে পরিচিত। বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিবেষ্টন এবং একাধিক আন্তর্জাতিক সংকটের পাশাপাশি অধুনা যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন সংকট, জীব বৈচিত্র্য হ্রাস এবং খাদ্য সংকট। এসকল সংকটের ফলে দেখা দিচ্ছে সামাজিক অসহিষ্ণুতা, ক্রমবর্ধমান সহিংসতা তথা মূল্যবোধের অবক্ষয়।

মহামান্য সুলতান রাজা ভূমিপাল আতুলিয়াভেজ এর সক্ষমতা অর্থনীতি দর্শন বা Sufficiency Economy Philosophy দেশের জন্য পথনির্দেশক নীতি হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। এটি একটি নতুন উন্নয়ন দৃষ্টান্ত হিসাবে বৃহত্তর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। সক্ষমতা অর্থনীতি দর্শনে জীবনে “মধ্যম পথ” গ্রহণকে অত্যাবশ্যক একটি পন্থা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি একটি জাতির নৈতিক ফাইবার এর জন্য একটি কাঠামো প্রদানের মাধ্যমে দর্শনের বিষয়টি আরো প্রাণবন্ত করা হয়েছে। এটি বিশ্বায়িত অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম এবং অর্থনীতির প্রতীক। এর মূল উপাদান তিনটি সংযম, যুক্তিবাদীতা এবং স্ব-অনাক্রম্যতা (moderation, reasonableness and self-immunity)। ইউএনডিপি সক্ষমতা অর্থনীতি এবং মানব সম্পদ প্রতিবেদন অনুযায়ী সংযম থেকে পর্যাপ্ত আচরণ, পর্যাপ্ত উৎপাদন খরচ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়। এছাড়াও আত্ননির্ভরশীলতা এবং যুক্তিবাদিতার বিষয়টি সক্ষমতা অর্থনীতির মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। এই ধারণা সম্যক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা, বিশ্লেষণাত্নক ক্ষমতা, স্ব-চেতনা, দূরদর্শিতা, সমবেদনা ও সহানুভূতি বিবেচনা করে থাকে। অনাক্রম্যতা সম্ভাব্য পরিবর্তনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার ক্ষমতা বুঝায়। এভাবে সক্ষমতা অর্থনীতি আত্ননির্ভরশীলতা এবং আত্নশাসনের মূল ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।

থাইল্যান্ডে ১৯৭৭ সালে আর্থিক সংকট মোকাবেলায় সক্ষমতা অর্থনীতির প্রয়োগ উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বর্ণনা করা যায়। এর মাধ্যমে খরচে কৃছ্বতাসাধন, বিদেশি ঋণের উপর নির্ভরতা কমানো সম্ভবপর হয়েছে। এটি বিশ্বাস করা হয় যে, সংকটের সময় প্রয়োজনীয় সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী নিশ্চিত করা হয়েছে। রাজার জ্ঞান সততা, অধ্যাবসায়, সহিষ্ণুতা এবং অন্তর্দৃষ্টি রাষ্টযন্ত্রের শক্তি হিসেবে প্রতিভাত হয়েছে। যা দেশের নাগরিক, সরকারি কর্মকর্তা, বুদ্ধিজীবী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন আনয়নে সক্ষম হয়েছে। দেশের বাইরে বিশ্বের অর্থনীতি, সমাজ, পরিবেশ ও সংস্কৃতির দ্রুত ও ব্যাপক পরিবর্তনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে

সক্ষমতা অর্থনীতি দর্শন ঐতিহ্যগত ধারণা দ্বারা এগিয়ে আনা অর্থনৈতিক তত্ত্ব। কিছু পণ্ডিত সক্ষমতা অর্থনীতি দর্শনের যে যুক্তি রয়েছে তার সাথে একমত পোষণ করেন না। তাদের মতে এটি মূলধারার অর্থনীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এছাড়া দক্ষতা এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধি সেই সাথে নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতার বিষয়টি এর মধ্যে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

“মধ্যম পথ” দর্শন কেবল বৌদ্ধ চিন্তার মধ্যে পড়ে না বরং মুসলিম এবং ক্যাথলিক ধর্মেও একইভাবে বিধৃত আছে। এটি অর্থনীতির উপরে মানবতা এবং সুখ জরিয়ে দেওয়ার একটি পন্থা। দীর্ঘমেয়াদী বৃদ্ধির জন্য একটি সুষম কৌশল প্রণয়ন সক্ষমতা অর্থনীতি দর্শনের মূল লক্ষ্য। সুতরাং এটি পরিবেশ, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজার এবং সামগ্রিক উন্নয়নের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করে।

রাজার এ তত্ত্ব গৃহস্থালি পর্যায়, কমিউনিটি পর্যায় এবং জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়িত হতে থাকে। গৃহস্থালি পর্যায়ে একজন নাগরিকের ১০% আবাসন, ৩০% ধানী জমি, ৩০% ফলবান/অফলবান বৃক্ষ এবং ৩০% পুকুর এবং মৎস্য উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হবে। কমিউনিটি পর্যায়ে উদ্বৃত্ত সম্পদের বণ্টন নিশ্চিত করবে। জাতীয় পর্যায়ে সমবায় প্রতিষ্ঠানসমূহ, ব্যাংক এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক-অবাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসমূহ উদ্বৃত্ত সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করবে।

রাজা শুধু তাকে কুর্নিশ করা শেখাননি। শিখিয়েছেন সকল বয়ষ্ক লোককে শ্রদ্ধা করতে। শিক্ষককে শ্রদ্ধা করতে। মাতা-পিতাকে শ্রদ্ধা করতে। তাইতো থাইল্যান্ডের লোকগুলো এতটা নম্র, ভদ্র এবং সরল। তাদের সহজ সরল নমনীয় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বাংলাদেশ, পাকিস্তান সহ এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলের মানুষের জন্য অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে।

এছাড়া থাই খাবারের কথা যদি বলা হয় তবে বলতে হয় থাই খাবারের তুলনা থাই খাবারই। সৃষ্টিকর্তার অপার রহমত থাকায় এর প্রতিটি ফল যথা‌‌‍‌: আম, পেয়ারা, তরমুজ, লিচু, লটকন, তেঁতুল, রামবুটান ইত্যাদি অনেক বেশি মিষ্টি এবং মজাদার। থাই লোকেদের মুখে শুনেছি, থাই জনগণ প্রথমে চোখ দিয়ে খায় অতঃপর মুখ দিয়ে আহার করে। তাইতো থাই বাচ্চারা সমস্বরে গেয়ে উঠে:

থাই ফ্রূট সালাত পায়াপা
পাইন আপেল এন্ড ম্যাঙ্গো
আরয় ট্যাং।।

কৌশলগতভাবেও থাইল্যান্ড এশিয়ার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান করছে। পাশ্ববর্তী দেশ চীন হওয়ায় এটি ব্যাপক বাণিজ্য সুবিধা (কৃষিজ খাতে) পাচ্ছে। বর্তমানে সারা বিশ্বে থাই খাবারের কদর বেড়েই চলেছে। আতিথেয়তায় থাই নাগরিকগণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের মতো অনেক বেশি আন্তরিক। থাই শিশুদের গানে এর প্রতিফলন দেখা যায়।

সোয়ারদী সোয়ারদী
সো নাইস টু মিট ইউ হিয়ার
সোয়ারদী।।

রাজ উদ্যোগ বিফলে যায়নি। থাই রাজার এ উদ্যোগ দেশে খাদ্য সমন্বয়তা নিশ্চিত করার পরও উদ্বৃত্ত খাদ্য বিশ্ব বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। বিশ্ববাজারে চাল-ডালের দাম হু হু করে বাড়ছে আর থাই নাগরিকগণ আত্নতৃপ্তিতে হাসছেন। পরিবেশের যথেষ্ট উন্নতি ছাড়াও বিশ্ব দরবারে থাইল্যান্ড ছোট খাটো একটি দাতা দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। অথচ এইতো সেদিন রাস্তার যানজটের জন্য থাইল্যান্ডের রাস্তায় চলাফেরা করাই দুরূহ ছিলো। অধুনা থাইল্যান্ডে মেট্রো রেল থেকে শুরু করে পাশ্চাত্য দুনিয়ার প্রায় সকল সুযোগ বিদ্যমান। বর্তমানে থাইল্যান্ডকে Economic Tiger of Asia বলা হয়। বিশ্বের অর্থনৈতিক মন্দা উত্তরণে জাতিসংঘ থাইল্যান্ডের Sufficiency Economy দর্শন অনুসরণে নিজ দেশে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন। এতে অন্তত: খাদ্যদ্রব্যের জন্য এক দেশ অন্য দেশের উপর অতি নির্ভরশীল হতে হবে না। এভাবে দারিদ্র্য বিমোচনে Millennium Development Goals (MDG) বাস্তবায়ন হবে।

আমাদের তো রাজা নেই। আমাদের কী হবে? আমরা প্রকল্প চিহ্নিত করতে বললে ব্যক্তি বিশেষের প্রাধিকার বিবেচনায় প্রকল্প তৈরিতে মনোযোগী হই। এ ধারা থেকে বের হওয়ার উদ্যোগ বা সক্ষমতা আমাদের আছে কী? ন্যায় ও সমতা নীতির ভিত্তিতে সারাদেশে সম্পদ বণ্টিত হয় এমন প্রকল্প কোথায়? প্রকল্প তৈরির পূর্বে প্রাক-মূল্যায়ন(Appraisal) আছে কি? প্রকল্পটি আমাদের need based হয় কি না? নাকি উন্নয়ন সহযোগীদের পরামর্শ অনুযায়ী তৈরি হয়েছে? আমাদের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর এতে আছে কি? প্রকল্প বাস্তবায়নে আমরা কতটুকু সততা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়ে থাকি? এতসব দিক নির্দেশনা আমাদের কে দেবে? তবে কি আমাদেরও একজন রাজা দরকার? তিনিই তো রাজা যিনি সারা জাতিকে দারিদ্রের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করবেন। এ রাজা আমাদের স্থানীয় পর্যায়ে, কমিউনিটি পর্যায়ে এবং জাতীয় পর্যায়ে উদ্বৃত্ত খাদ্য উৎপাদনে সহায়তা করবেন। দেশের এক খণ্ড জমিও যাতে অনাবাদী না থাকে সেদিকে নজর দেবেন। হাজামজা পুকুর, মৎস্যচাষ, বনায়ন থেকে শুরু করে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন। তবেই তো হবো আমরা সবাই রাজা আমাদেরই রাজার রাজত্বে। থাই রাজা তার প্রতিষ্ঠানগুলোকে বকের অনুসরণে কৌশলগতভাবে একপায়ে দাঁড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর মতে দু’পায়ে দাঁড়ানোর অর্থই হলো রিলাক্স হয়ে যাওয়া। অন্যদিকে অতি সতর্কভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার জন্য একপায়ে দাঁড়ানো জরুরি।

থাই রাজা আজ বিরানব্বই বছরের বৃদ্ধ। তবুও মানুষের মনের মধ্যে গেঁথে আছে থাই-রাজ। তাঁর প্রকল্পসমূহ টেকসই (sustainable) প্রকল্প হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। থাই জনগণ বিদিশার দিশা পেয়েছে। এখন শুধু এগিয়ে চলা। তবে থাই রাজা বিশ্বকে দারিদ্রমুক্ত করার জন্য তাঁর Sufficiency Economy তত্ত্ব বাস্তবায়নে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। আমরা কি থাই রাজার New Theory পর্যালোচনা করে দেখতে পারি?

খাব-দুন-খাব (ধন্যবাদ)

কমেন্ট করুন

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ইকনমিক) ক্যাডারের উপ-প্রধান পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা, বর্তমানে লিয়েন জাতিসংঘ উন্নয়ন সংস্থায় কর্মরত।

সেশন: ১৯৮২-৮৩

রফিক আহম্মদ সিদ্দিক (কামাল)

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ইকনমিক) ক্যাডারের উপ-প্রধান পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা, বর্তমানে লিয়েন জাতিসংঘ উন্নয়ন সংস্থায় কর্মরত।সেশন: ১৯৮২-৮৩