একালে ব্রজেন কাক্কু!

(ব্রজেন দাস ছিলেন বাঙালি সাঁতারু, যিনি প্রথম এশিয়ান হিসেবে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন এবং প্রথম মানব হিসেবে ইংলিশ চ্যানেল ছয়বার পাড়ি দেয়ার রেকর্ড গড়েন। পঞ্চাশের দশকে সাঁতার কেটে বাঙালির মুখ উজ্জ্বল করেছেন ব্রজেন দাস। জাতি হিসেবে তাঁর কাছে আমরা ঋণী। তবে তিনি বর্তমান সময়ে ফিরে এলে কেমন দেখতেন সবকিছু, তা রম্যরচনার মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করা উদ্দেশ্য নয়।)

(১)

ব্রজেন কাক্কুর প্রায় ঢাকা চ্যানেল বিজয়–

আপিস কক্ষে মনোযোগের সহিত ফাইল দেখিতেছি, পাশে সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া এক মাসতুত ভ্রাতা, ডাক নাম পটল, বসিয়া আমার কাজ ফুরানোর প্রতীক্ষায়। এমন সময় কাকভেজা হইয়া ধুতি ফতুয়া পড়া ব্রজেন কাক্কুর প্রবেশ। আমি লাফাইয়া উঠিয়া পায়ে ধরিয়া প্রণাম করিয়া কাক্কুকে আমার সম্মুখ কেদারায় বসাইলাম। দেখি বেচারা ভিজিয়া একাকার আর কী কারণে যেন রাগে অগ্নিশর্মা। তা আমার এমন ভক্তি দেখিয়া মাসতুতো ভাই শুধাইল, “দাদা উনাকে তো, মানে চিনিলাম না!” শুনিয়া কাক্কু একেবারে তেলে বেগুনে জ্বলিয়া উঠিল- রক্তচক্ষু মেলিয়া অগ্নিবাণ নিক্ষেপ করিয়া বলিল, “হতচ্ছাড়া! তোমাদের এই নিউ জেনারেশান নিয়া বিরাট পেরেশানি, আজকালকার মাস্টাররা কিছু জেনারেল নলেজ শিখায় না নাকি? ইংলিশ চ্যানেল জয়ী ব্রজেন দাসের চেহারা কোন বইয়ে দেখা হয় নাই?” ভাইটি আমার তাহার এহেন বাক্যে লজ্জায় একেবারে অবনত। আমি কোনমতে সামাল দিয়া কাক্কুর পছন্দের বেলের শরবত আনাইয়া সাঁতারু মহাশয়কে কিঞ্চিৎ ঠাণ্ডা করিবার প্রয়াস পাইলাম।
অবশেষে সাহস করিয়া শুধাইলাম, কাক্কুর কেনইবা সেই সুদূর গাঁও হইতে রাজধানীতে আগমন, তাহার এমন নাজুক অবস্থার হেতুই বা কী আর তিনি অমন রাগে দিশেহারাই বা কীজন্যে? অবশেষে গজরাইতে গজরাইতে তিনি যাহা উগরাইলেন তাহার সারমর্ম কাক্কুর মুখেই শুনি-

“দীর্ঘকাল শুইয়া বসিয়া গায়ে বাত জমিবার দশা, ইতোমধ্যে ব্রহ্মপুত্র, সুরমা, পশুর সাঁতরাইয়া নদীর জলেও বিতৃষ্ণা জন্মাইয়া গিয়াছে, চ্যানেল পাড়ি দেয়া যাহার রক্তে নদী-নালা সাঁতরাইলে কি তাহার চলিবে? যাই হোক গাঁয়ের নরসুন্দর পচা সেইদিন বলিল- দাদা, শুনিলাম রাজধানী ঢাকায় নাকি জল দিয়া নতুন চ্যানেল খুলিয়াছে তা সে নাকি এলাহি কারবার; ফারামগেট হইয়া মতিঝিল -ধানমন্ডি- হাতিরপুল আর পল্টন ময়দান ধরে নাকি মোটরচালিত নৌকা চলিতেছে। শুনিয়া ভাবিলাম যাক এইবার অন্তত ঢাকা চ্যানেল জয় করিয়া হাতপায়ের খিল ছাড়াইয়া আসি। এককাপড়ে রেলগাড়ি চাপিয়া ঢাকা রওনা হইলাম। ধুতি কাছা মারিয়া রেলগাড়ি হইতে নামিয়াই কমলাপুরে ঢাকা চ্যানেলের দেখা পাইলাম। তা জলের চেহারা কিঞ্চিৎ কালিগুলা মনে হইলেও ভাবিলাম গভীরতার কারণে এমনটা হইতে পারে। সাঁতারের আনন্দে শুরুতে গন্ধটা উপেক্ষা করিলেও মতিঝিল আসিতেই বমি বমি ভাব। তবুও চ্যানেল জয়ের স্বপ্নে বমিভাব জয় করিয়া ডুবসাঁতারে ধানমন্ডি পার হইয়া লালবাগ ঢুকিতেই বিপত্তি ঘটিল। লালবাগের চিপা গলিতে সাঁতরাইবার সময় হঠাত ধুতিতে টান পরিল, পরে টের পাওয়া গেল ম্যানহোলে রাখা বাঁশের গাঁটে আটকাইয়া কাছা খুলিয়া ধুতি ছিঁড়িয়া সম্মান লইয়া টানাটানি।

দুঃখে অপমানে পুরা ঢাকা চ্যানেল জয় করা আর হইয়া উঠিল না। এই জ্বালা কই রাখিব?”

কাক্কুর দিকে খানিক করুণ চোখে তাকাইয়া ভাবিলাম ইংলিশ চ্যানেল জয়ী দুর্ধর্ষ সাঁতারু ব্রজেন কাক্কুর ঢাকা চ্যানেল পার হইতে এই করুণ দশা, তাহা হইলে আম ঢাকাবাসীর কী হাল?

(২)

কাক্কুর কপোতাক্ষ দর্শন–

ঢাকা চ্যানেল কেলেঙ্কারির দিনকয়েক পরের ঘটনা। ভোরবেলায় সদর দরজায় কে যেন করাঘাত করিতেছে যেন তাবৎ দুনিয়ার উপর বিতৃষ্ণ কোন মানবসন্তান তাহার সকল ক্ষোভ আমার বসতঘরের দরজার উপর প্রয়োগ করিতেছে। বিরক্তিতে আধোঘুম চোখে দরজার খিল খুলিতেই দেখি ব্রজেন কাক্কু হাসিমুখে দাঁড়াইয়া কী যেন একটা সুর গুনগুন করিতেছেন । তা পেটা শরীরের সাঁতারু মহাশয়কে দেখিয়াই আমার ঘুম কোথায় পলায়ন করিল তা আর নাইবা শুনাইলাম। প্রণাম করিয়া উঠিতেই কাক্কু বলিলেন পোটলা বাঁধরে হতচ্ছাড়া দেশ ভ্রমণে বাহির হইব। কাক্কুর আদেশ শিরোধার্য, তাছাড়া ইট পাথরের চারদেয়ালের ভ্যাঁপসা ঘরে দিনরাত ফাইল ঘাঁটিয়া বড়ই হাঁপাইয়া উঠিয়াছি। ক্যানভাসের ব্যাগখানা গুছাইয়া কাক্কুর সাথে কমলাপুর পানে যাত্রা করিলাম, সঙ্গে মাসতুত ভ্রাতা পটল। সেইদিনের ধমকের পর ভয়েই হোক আর কাক্কুর সম্বন্ধে জানিয়াই হোক, বেচারা তাহার বড় ভক্ত হইয়াছে।

কমলাপুর আসিয়া কাক্কুকে শুধাইলাম, “কাক্কু আমরা প্রথমে কোন অঞ্চলে যাইব?” খানিক ভাবিয়া কাক্কু বলিলেন, “যশোরের টিকিট কাটা হোক, ও আমার বড় প্রিয় শহর, মধুর সাথে বড় মধুর সময় কাটিয়াছে সেথা। যেইকথা সেই কাজ, সুন্দরবন নামের রেলগাড়ির টিকিট কাটিয়া ফার্স্টকেলাসে চাপিয়া রওয়ানা হইলাম। যশোর ইস্টিশানে নামিয়াই কাক্কু বলিলেন- ধর্মতলার মোড়ে একখানা ননীযুক্ত চা পান করিয়া কপোতাক্ষে খানিক সাঁতরাইয়া তারপরেই নাকি প্রাতরাশ সারিবেন। এই নদের জলে সাঁতরাইতে আসিয়া কীভাবে মধুবাবুর সাথে পরিচয়, তাহাকে লইয়া মধুবাবুর সনেট রচনা করার ইচ্ছা পোষণ আরও কতশত স্মৃতিকথা শুনাইলেন তাহার ইয়ত্তা নাই। এইদিকে আমি মনে মনে প্রমাদ গুনিলাম, কপোতাক্ষ বলিয়া এখন যে কোন নদের মাঝে জল প্রবাহিত হয় না এই কথা কাক্কুকে কোন মুখে বলিব? যাইহোক কাক্কুর প্রিয় যশোর রোড ধরিয়া কিছুক্ষণ হাঁটিয়া মরা কপোতাক্ষের পাড়ে যাইতেই কাক্কু বলিলেন, “এ কোথায় এলিরে হতভাগা?” পটল ভয়ে ভয়ে বলিল, “এইযে কচুরিপানায় ঢাকা ময়লা আবর্জনার ভাগাড় দেখা যাইতেছে ইহাই আপনার সেই কপোতাক্ষ কাক্কু, মানুষে খেয়ে ফেলেছে।”

শুনিয়া কাক্কুর রাগ আর বাঁধ মানিল না, সেই বজ্রকণ্ঠে হুঙ্কার ছাড়িলেন- “ওরে নদীতে মানুষ খায় শুনিয়াছি; এ কেমন রাক্ষস জাতি হে তোরা, আস্ত কপোতাক্ষ গিলে খেয়েছিস?”
মনে মনে ভাবিলাম, বুড়িগঙ্গা আর তুরাগ নদীর হাল দেখিলে নদীখেকোদের মত কাক্কুও আমাকে গিলিয়া খাইয়া ফেলিবেন নিশ্চয়।

(৩)

যুগে যুগে–

তা সে বহুকাল আগের কথা, না না আরবের লোকেরা যখন মদ্যপান করিত, সেই আমলের কথা নয় আবার, তখন তো ব্রজেন কাক্কুর জন্মই হয়নাই। ঘটনা কাক্কুর যৌবনকালের, সাঁতার কাটিয়া ইতোমধ্যে দেদার যশ হইয়াছে তাহার। আপিসেও বেজায় সুনাম থাকায় কোম্পানির বড় কত্তারাও তাহার উপর তুষ্ট ছিলেন বেজায়। আর ঠাটবাট লইয়া চলিতেন বলিয়া সকলেই সমীহ করিয়াই চলিত ব্রজেন বাবুকে। একমুঠো মুড়ি মুখে পুড়িয়া কাচালঙ্কায় কামড় বসাইয়া কাক্কু বলিলেন, তাহলে আসল ঘটনায় আসা যাক।
“আমার আপিসে সুবল নামে একজন স্মার্ট আনেস্ট আপিসার ছিল। বেচারার একটাই কষ্ট ছিল- তাহার বৃদ্ধ পিতামাতা একেবারে দেশের দক্ষিণ-পূর্বকোণে ভুজঙ্গমাড়ি নামক মহকুমায় এক অজপাড়া গাঁয় বসবাস করিত। আবার সেই যুগে কোম্পানির চাকুরিতে ভুজঙ্গমাড়ি ছিল পানিশমেন্ট পোস্টিং এর জন্য আদর্শ স্থান। তা আপিসের কত্তাবাবুরা কাহারো উপর রুষ্ট হইলে ভুজঙ্গমাড়ি বদলি করিয়া দেয়ার হুমকি প্রদর্শন করিতেন। কাহারো কপাল যে পুড়িত না তাহা নয় তবে সুবল বেচারা হাজার তদবির করিয়াও ভুজঙ্গমাড়ি বদলি হইতে পারিল না। বিলেতের লাট বাহাদুরদের কানে পৌঁছাইতে পৌঁছাইতে সেই তদবির কোথায় হারাইয়া যায় তাহার কোন হদিসই পাওয়া যায় না। সুবল একদিন কথায় কথায় বিমর্ষ বদনে আমাকে তাহার দুঃখের কথা শোনাইলে আমি কানে কানে তাহাকে উপায় বলিয়া দিলাম। সাতদিনের মধ্যে সুবল আমার বাড়িতে ভজহরির দোকানের মণ্ডা লইয়া হাজির। আকর্ণ হাসিয়া জানাইল তাহার ভুজঙ্গমাড়ি বদলি হইয়াছে।”

এইপর্যন্ত বলিয়া কাক্কু আড়মোড়া ভাঙিলেন। কী উপায়ে তাহার বদলি হইল সেই গুমর আর ভাঙিলেন না। অবশেষে অধৈর্য হইয়া পটল জিজ্ঞাসা করিয়াই ফেলিল, “ও কাক্কু তুমি কানে কানে কী বুদ্ধি দিলে যে তিনবছরে যাহা হয়নাই সাতদিনে তাহা হইয়া গেল?” সাঁতারু মহাশয় মুচকি হাসিয়া যাহা বলিলেন তাহা বড়ই চমকপ্রদ। খগেন নামে এক সিঁদেল চোর পরবর্তীতে জমির দালালি আর চোরাকারবারি করিয়া টাকা পয়সা কামাইয়া সমাজের মস্তক শ্রেণির হইয়া উঠিয়াছিল। তাহার খুঁটিরজোর ছিল সুদূর বিলেতের বড়কত্তাদের অব্দি। আপিসের কত্তারাও তাহাকে তৈলমর্দনের সুযোগ পাইলে হাতছাড়া করিতেন না। তা কাক্কু শুধু সুবলের কানে কানে বলিয়া দিয়াছিলেন খগেন চোরার লেজে পাড়া দিয়া একটু উত্যক্ত করিতে। সুবলও কাক্কুর উপর ভরসা করিয়া খগেনের বাড়া ভাতে ছাই দিয়াছে, ব্যাস সাতদিনে বদলি কনফার্ম ভুজঙ্গমাড়ি মহকুমায়।

পটল আশ্চর্য হইয়া শুধাইল, “সেই যুগেও এমন হইত?” কাক্কু পটলের দিকে তাকাইয়া করুণ স্বরে বলিলেন, “ছাগল আর দালাল সবযুগেই জন্মায়রে আহাম্মক!”

(৪)

কাক্কুর ‘যদু মদুর সম্মান’ ভাবনা–

প্রেসক্লাবের মোড়ে আট নম্বর লোকাল বাসের কাঁচ বিহীন জানালা গলিয়া তাকাইয়া আমার কেন জানি সন্দেহ হইল ধুতি ফতুয়া পরা ও কি ব্রজেন কাক্কুকে দেখিলাম? কিন্তু প্রেসক্লাবের সামনে হাতে প্ল্যাকার্ড লইয়া কাক্কু কী ইস্যুতে নামিলেন, কপোতাক্ষ রক্ষা আন্দোলনে নামিলেন নাকি? চিন্তা করিতে করিতে বাস হইতে লাফাইয়া নামিয়া রাস্তার ওপারে পৌঁছাইয়া দেখি, আরে হ্যাঁ কাক্কুই তো! হাতে প্ল্যাকার্ড, কপালে কুঞ্চন আর ধুতি ফতুয়া পরা সেই চিরতরুণ কাক্কু। প্ল্যাকার্ড দেখিয়াতো আমার আক্কেলগুড়ুম, উহাতে লাল কালিতে জ্বলজ্বল করিতেছে, “যদু মদুর সম্মানের সার্টিফিকেট তাহার পিতৃদেব মারা যাইবার পূর্বে দেখিতে পারিবেন কি?”

তা লেখার রহস্য উদঘাটন করিতে না পারিয়া কাক্কুকে একরকম হাতেপায়ে ধরিয়া আমার আপিসে লইয়া বসাইলাম। বেলের শরবত খাওয়াইয়া ঠান্ডা মাথায় কাক্কুর আন্দোলন কাহিনী শুনিতে চাইলাম। বিমর্ষ বদনে কাক্কু যাহা শুনাইলেন তাহা চিন্তার খোরাক বৈকি। কাক্কুর ভাষায়,

“গাঁয়ের কৃষক খগেন বছর আষ্টেক আগে হালের গরু দুইখান বেচিয়া দুই পূত্র যদু মদুকে ঢাকা কলেজে ইংরাজীতে সম্মানে ভর্তি করাইয়াছে। তাহার এক পিসতুত ভাই নাকি কথা দিয়াছেন, সম্মান পাশ দিলেই দুই ছেলেকে কোম্পানিতে ভাল মাইনের চাকুরী পাইয়ে দেবে। তা বছরের পর বছর কাটিয়া বছর সাতেক কাটিয়া গেল কিন্তু সম্মানের দেখা নাই। এইদিকে হালের গরু আর চাষের জমি বেচিয়া পড়ার খরচ চালাইতে চালাইতে খগেন এখন নিঃস্বপ্রায়। তা অষ্টম বছরে আসিয়া খগেনের কিছুটা সন্ধ হইল ছেলেরা আসলেই পড়ালেখা করিতেছে কিনা, সম্মান নিতেই যদি জীবন কাটিয়া যায় তবে চাকুরী পাইবে কবে আর বিবাহ করিয়া ছেলেপুলে পালিবে কবে? তা খগেন আসিয়া আমার পায়ে পড়িয়াছে – দাদাবাবু সম্মান চাই না আমার যদু মদুকে ফেরত আনিয়া দাও। আমি উহাদের মুদিদোকান দিয়া বিবাহ করাইয়া নাতি-পুতির মুখ দেখিতে চাই। তাই শুনিয়া রহস্য উদঘাটন করিতে ঢাকা আসিয়া যদু মদুর কলেজে গিয়া প্রিন্সিপাল মহোদয়কে ঘটনা শুধাইতে তিনি বলিলেন- তাহাদের কাজ কেলাস নেয়া। পরীক্ষার দায়িত্ব নাকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর বর্তাইয়াছে। সেথা হইতে বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়া ভাইস চ্যান্সেলর মহোদয়কে শুধাইলাম যদু মদুর সম্মান পরীক্ষা কবে হইবে? তা এইদিক সেইদিক হাল হকিকত পুছিয়া আমাকে আদর আপ্যায়ন করিয়া ভিসি মহোদয় যাহা বলিলেন তাহা আমার মনঃপুত হয়নাই। দুই পক্ষের কথা শুনিয়া মনে হইয়াছে যদু মদুর সম্মান লইয়া তাহারা কেহই তেমন চিন্তিত নন, চিন্তা শুধু খগেনেরই- শেষ পর্যন্ত ভিটামাটি বিক্রয় করিয়া হয়ত যদু মদুর সম্মান মিলিবে কিন্তু তাহা দেখিয়া যাইবার সৌভাগ্য খগেনের হইবে কি?”

কমেন্ট করুন
প্রাক্তন শিক্ষার্থী | পরিসংখ্যান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

সেশনঃ ২০০২ - ২০০৩

মেহেদী হাসান রিয়েল

সেশনঃ ২০০২ - ২০০৩