বর্তমান বাংলা সাহিত্য ও প্রমথ চৌধুরী

বইমেলা ২০১২। আমি ও আমার কিছু বন্ধু মেলায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম। সেইসাথে বই দেখছিলাম,কিছু বই কিনছিলাম। একটি বইয়ের স্টলে ঢুকে বই দেখার স্টলের সেলসম্যান একটি কিশোর উপন্যাস আমার দিকে এগিয়ে দেয়, বলে- “এই বইটি একটু দেখবেন? এটার সেকেন্ড এডিশন চলছে।” আমি লেখকের নাম দেখে বুঝলাম উনার কোন বই পড়ার সৌভাগ্য আমার হয় নি। তাই বইটি কিনে নিলাম নতুন লেখকের বই পড়ে একটু সমৃদ্ধ হবার আশায়। কিন্তু পড়তে গিয়ে সবিস্ময়ে লক্ষ্য করলাম বইয়ের কাহিনী দূরে থাক, অনেক বাক্যেরই কোন সামঞ্জস্য নেই (যদিও আমার ধারণা আমার ভাষাজ্ঞান অতটা প্রখর নয়)। বেশ কয়েক পাতা পড়ার পরও বইটি পড়ার আর কোন উৎসাহই পেলাম না। তাই নতুন একজন লেখকের বই পড়ার সৌভাগ্য (দূর্ভাগ্য!) থেকে নিজেকে বঞ্চিত করলাম।

       আসলে সাহিত্য কী? শৈশবকাল থেকে বই পুস্তকে শতবার পড়া শব্দটি নিয়ে অনেক সময়ই ভেবেছি। সাহিত্য কাকে বলবো? কেনই বা সাহিত্যের সৃষ্টি? আর সাহিত্যের গুরুত্বই বা কতটুকু?

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন – 

        “সহিত শব্দ হতে সাহিত্য শব্দের উৎপত্তি।অতএব ধাতুগত অর্থ ধরিলে সাহিত্য শব্দের মধ্যে একটি মিলনের ভাব দেখতে পাওয়া যায়। সে যে কেবল ভাবে-ভাবে, ভাষায়-ভাষায়, গ্রন্থে গ্রন্থে মিলন তাহা নহে; মানুষের সহিত মানুষের, অতীতের সহিত বর্তমানের, দূরের সহিত নিকটের অত্যন্ত অন্তরঙ্গ যোগসাধন সাহিত্য ব্যতীত আর- কিছুর দ্বারাই সম্ভবপর নহে। যে দেশে সাহিত্যের অভাব সে দেশের লোক পরস্পর সজীব বন্ধনে সংযুক্ত নহে; তাহারা বিচ্ছিন্ন।”

        বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস হাজার বছরের। প্রাচীন চর্যাপদ থেকে শুরু করে আজ অবধি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে আমরা বাংলা সাহিত্যের এক সমৃদ্ধ ভাণ্ডার দেখতে পাই। বহু সাহিত্যিক, কবি, লেখক, প্রাবন্ধিক তাদের অসামান্য শ্রম দিয়ে বাংলা সাহিত্যকে পৃথিবীর বুকে একটি আলাদা পরিচয়ে পরিচিত করে গেছেন।বাংলা সাহিত্য বেগবান নদীর মত গতিময়। আমাদের বাংলা সাহিত্য নানা শাখা প্রশাখায় সমৃদ্ধ হচ্ছে, তার জয়রথ যেন এগিয়েই চলছে। তবু একটি বিতর্ক যেন থেকেই যাচ্ছে। বাংলা সাহিত্য কি সঠিক পথে এগোচ্ছে? আমরা কি বিশ্বসাহিত্যের ধারায় আমাদের সাহিত্যকে একটি সম্মানজনক স্থানে নিয়ে যেতে পেরেছি? বাংলা সাহিত্যের বর্তমান মান কি ঊর্ধ্বমুখী না অধোমুখী? এরকম কিছু প্রশ্ন থেকেই বাংলা গদ্যসাহিত্যে চলিতরীতির প্রবর্তক “বীরবল”- খ্যাত সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরীর বক্তব্যের আলোকে সামান্য কিছু লেখার সাহস করছি।

         সাহিত্য সম্পর্কে প্রমথ চৌধুরী বলেছেন-

         “একমাত্র সাহিত্যই এ পৃথিবীতে মানব মনের সকল প্রকার সংকীর্ণতার জাতশত্রু। জ্ঞানের প্রদীপ যেখানেই জ্বালো না কেন, তাহার আলোক চারিদিকে ছড়াইয়া পড়িবে; ভাবের ফুল যেখানেই ফুটুক না কেন, তাহার গন্ধ দেশময় ব্যাপ্ত হইয়া পড়িবে। মনোজগতে বাতি জ্বালানো এবং ফুল ফোটানোই সাহিত্যের একমাত্র ধর্ম এবং একমাত্র কর্ম।”

         কিন্তু বর্তমান কালের সাহিত্যের দিকে লক্ষ্য করলে এই কথাগুলোর প্রতিফলন দেখা যায় না। বরং কী করে কম সময়ে অনেক বেশি লেখা ছাপিয়ে জনপ্রিয়  লেখক হওয়া যায় সেই ইঁদূর দৌড়ে লিপ্ত আমাদের সাহিত্যিকরা। ফলে সত্যিকার সাহিত্য থেকে আমরা যেন দিন দিন দূরে সরে যাচ্ছি। সাহিত্য সৃষ্টির এই পন্থা অবলম্বন করলে কি হতে পারে তা সম্বন্ধে আমাদের বহু আগে থেকেই সতর্ক করে দিয়েছেন শ্রদ্ধেয় প্রমথ চৌধুরী। তার মতে –

           “সাহিত্য সমাজে ব্রাহ্মণত্ব লাভ করার ইচ্ছে থাকলে দারিদ্র্যকে ভয় পেলে সে আশা সফল হবে না। সাহিত্যের বাজার দর সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান যত বাড়বে সেইসঙ্গে তার মূল্য সম্পর্কে জ্ঞান আমাদের লোপ পেয়ে আসবে। সুতরাং আমাদের নব সাহিত্যে লোভ নামক রিপুর অস্তিত্বের লক্ষণ আছে কি না সে বিষয়ে আমাদের দৃষ্টি থাকা আবশ্যক, কেননা শাস্ত্রে বলে লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু।”

           অথচ আমরা যেন ঠিক উল্টো পথেই চলছি। পুঁজি আর জনপ্রিয়তার লোভাতুর হাতছানি আমাদের লেখকদের প্ররোচিত করছে পাঠকদের হাতে নিম্নমানের সাহিত্য তুলে দিতে। ফলে বই, ম্যাগাজিন, সাহিত্য পত্রিকা ইত্যাদির সংখ্যা বাড়লেও আমরা ঠিক মানসম্মত লেখা পাচ্ছি কি না তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। আর আমরা যদি আমাদের পাঠকদের মানসম্মত সাহিত্য উপহার দিতে না পারি তবে ভবিষ্যতে আমাদের সাহিত্য কোন পথে যাবে তা নিয়েও দুশ্চিন্তা থেকেই যাবে।

           আশার কথা হল বর্তমানে সাহিত্য পত্রিকা, ম্যাগাজিন, বই ইত্যাদির কোন অভাব নেই। প্রতিটি জাতীয় দৈনিকও প্রতি সপ্তাহে সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশ করে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে এরকম সাহিত্যকর্মে সাহিত্য গুণ কতটুকু বিদ্যমান তা আলোচনার বিষয়। কোয়ানটিটি বা সংখ্যা যে কোয়ালিটি বা মানের ধারক বা বাহক কোনটিই নয় সেটি আমরা সকলেই জানি। আর সাহিত্য গুণটাই সাহিত্য সৃষ্টির জন্য বেশি দরকার সে বিষয়টিও পরিক্ষিত সত্য। কেন আমরা মানসম্মত লেখার অভাবে ভুগছি তার একটু সম্ভাব্য কারণ বোধহয় প্রমথ চৌধুরীর চোখে পড়েছিল। তিনি বলেছিলেন –

           “আজকাল আমাদের ভাববার সময় নেই, ভাববার অবসর থাকলেও লেখবার যথেষ্ট সময় নেই, লেখবার অবসর থাকলেও লিখতে শেখবার অবসর নেই; অথচ আমাদের লিখতেই হবে, নচেৎ মাসিক পত্রিকা চলে না। এ যুগের লেখকেরা যেহেতু গ্রন্থাকার নন শুধু মাসিক পত্রিকার পৃষ্ঠপোষক, তখন  তাদের ঘোড়ায় চড়ে লিখতে না হলেও ঘড়ির উপর লিখতে হয়; কেননা মাসিক পত্রের প্রধান কর্তব্য হচ্ছে পয়লা বেরনো। কি যে বেরলো তা বেশি কিছু আসে যায় না। তাছাড়া, আমাদের সকলকেই সকল বিষয় লিখতে হয়। নীতির জুতো সেলাই থেকে ধর্মের চণ্ডীপাঠ পর্যন্ত সকল পাঠই আমাদের সমান অধিকারভুক্ত। আমাদের নবসাহিত্যে কোনরূপ শ্রমবিভাগ নেই – তার কারণ, যে ক্ষেত্রে শ্রম নামক মূল পদার্থের অভাব, সে স্থলে তার বিভাগ আর কি হতে পারে?”

           এই কথাগুলো অত্যন্ত নির্মম সত্য হয়ে আমাদের চোখে ধরা দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। আমাদের বইমেলার পরিসর অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে, বেড়েছে বইয়ের স্টল, বইয়ের সংখ্যা। এমনকি আমাদের পাঠক সমাজও ইন্টারনেটের যুগে বই কেনার ও পড়ার ব্যাপারে যথেষ্ট কৌতুহলী। কিন্তু আমরা কি পারছি তাদের মনের চাহিদা পূরণ করতে? আমরা কি পারছি ভাল সাহিত্য তৈরী করতে?

           কেন আমরা ভাল সাহিত্য তৈরী করতে পারছি না সেকথা প্রমথ চৌধুরীর লেখায় স্পষ্ট। আমাদের সাহিত্যিকরা আগের মত শ্রম, নিষ্ঠা ও ভালবাসা দিয়ে সাহিত্য সৃষ্টি করতে চাচ্ছেন না বা পারছেন না। মোটামুটি কিছু একটা লিখে বই বের করলেই তো হল – এরকম একটি মনোভাব তাদের মধ্যে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কি লেখক হল বা পাঠক কি এটা পড়ে কিছু অর্জন করতে পারবে কি না; সে বিষয়ে তারা কতটুকু চিন্তা করেছেন তা ভাববার বিষয়।

           আমাদের অনেকেরই ধারণা সাহিত্য রচনা করতে হলে আমাকে কল্পনাজগত থেকে নিয়ে আসা অদৃশ্য কোন বিষয় নিয়ে লিখতে হবে, এমনভাবে উপমা ব্যবহার করতে হবে যা কেউ আগে কখনো শোনেনি। নতুনত্বের আহবান সবসময়ই সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু নতুনের কেতন উড়ানোর নামে অতিরঞ্জিত উদ্ভট কল্পনা ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ উপমা ব্যবহার কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। বিশেষ করে আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে সাহিত্য মানেই কঠিন শব্দে অবাস্তব উপমায় মোড়ানো কিছু বাক্যের সমাহার। এ বিষয়ে প্রমথ চৌধুরীর মতামত কিছুটা এরকম-

           “প্রকৃতির সাহিত্য লেখকদের যদি কোনরূপ পরিচয় থাকত তাহলে শুধু বর্ণের সাথে বর্ণের যোজনা করলেই যে বর্ণনা হয়, এ বিশ্বাস তাদের মনে জন্মাতো না।… সম্ভবত এ যুগের লেখকদের বিশ্বাস যে, ছবির বিষয় হচ্ছে দৃশ্যবস্তু আর লেখার বিষয় হচ্ছে অদৃশ্যমান। সুতরাং বাস্তবিকতা চিত্রকলায় অর্জনীয় এবং কাব্যকলায় বর্জনীয়।… অবশ্য পৃথিবীতে যা সত্যই ঘটে থাকে তার যথাযথ বর্ণনাও সব সময়ে কাম্য নয়।… তাই বলে “গরুরা ফুলে ফুলে মধুপান করছে” এরূপ কথা বলাতে বস্তুজ্ঞান কি রসজ্ঞান কোনরূপ জ্ঞানের পরিচয় দেওয়া হয় না।”

           বস্তুত মানবজীবনই সাহিত্যের প্রকৃত উপাদানরূপে আমাদের সামনে প্রতীয়মান। মানুষের জীবনের গল্প, মানুষের সাফল্য-ব্যর্থতা, মানুষের আনন্দ-বেদনা ইত্যাদিকে ঘিরেই তৈরী হয় আসল শিল্প। জীবন বিচ্ছিন্ন বিষয় মানুষের মনে ক্ষণিক কৌতুহল জাগাতে পারে বা সাময়িক জনপ্রিয়তা পেতে পারে কিন্তু কালের বিচারে তা কখনোই টিকে থাকবে না। তাই বাংলা সাহিত্য তথা বৈশ্বিক সাহিত্যের মূল হচ্ছে জীবনের উপস্থাপন। প্রকৃতির সাথে, স্রষ্টার সাথে, সৃষ্টির সাথে, মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্ক স্থাপনের উদ্দেশ্যেই সাহিত্যের সৃষ্টি। মানুষের মন ও মনোজগত সর্বকালেই সাহিত্যিকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল, আছে এবং থাকবে। একথা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। প্রমথ চৌধুরীর মতে – ” মানবজীবনের সঙ্গে যার ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ নেই, তা সাহিত্য নয়, তা শুধুই বাক-ছল। জীবন অবলম্বন করে সাহিত্য জন্ম ও পুষ্টি লাভ করে, কিন্তু সে জীবন মানুষের দৈনিক জীবন নয়। সাহিত্য হাতে হাতে মানুষের অন্নবস্ত্রের সংস্থান দিতে পারে না। কোন কথায় চিড়ে ভেজে না, কিন্তু কোন কথায় মন ভেজে; এবং সেই জাতির কথারই সাধারণ সংজ্ঞা হচ্ছে সাহিত্য।”

           তিনি আরো বলেন –

           “মানুষের দর্শন-বিজ্ঞান, ধর্ম-নীতি অনুরাগ- বিরাগ, আশা-নৈরাশ্য তার অন্তরের স্বপ্ন ও সত্য, এই সকলের সমবায়ে সাহিত্যের জন্ম। অপরাপর শাস্ত্রের ভিতর যা আছে, সে-সব হচ্ছে মানুষের মনের ভগ্নাংশ; তার পুরো মনটার সাক্ষাত পাওয়া যায় শুধু সাহিত্যে।”

           তাই সাহিত্য হতে হবে মানবজীবন সম্পর্কিত যা মানুষের মনের কথা বলবে। সাহিত্যের মাঝে মানুষ যেন খুঁজে পাবে জীবনের প্রতিচ্ছবি। জীবন ও সাহিত্য এমনভাবে মিশে যাবে যেন মানুষ নিজেকেই খুঁজে পাবে সাহিত্যে। আর আমাদের সাহিত্যিকদের সেই গুরুভার নিজেদের কাঁধে তুলে নিতে হবে। বাংলা সাহিত্যের স্বর্ণালি আকাশটিকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলার দায়িত্ব এখন তাদের।

           আমাদের সম্ভাবনা প্রচুর। আমাদের পাঠকসমাজ সাহিত্য সম্পর্কে জানতে ও পড়তে আগ্রহী। সাহিত্য সৃষ্টির সুযোগ ও এখন অনেক বেশি। তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে এখন সবার কাছে রয়েছে উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার। ফলে জ্ঞানার্জন ও সাহিত্য তার প্রতিফলন ঘটানোর ক্ষেত্রে আমরা এখন বেশ সুবিধাজনক অবস্থাতে রয়েছি। আমাদের লেখকের সংখ্যাও অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের সাহিত্যকর্মকে সকলের দোরগোরায় পৌছে দেয়ার জন্য এখন রয়েছে প্রযুক্তি। সম্ভাবনার দুয়ার তাই সর্বদাই খোলা।প্রমথ চৌধুরী বলে গিয়েছেন –

           “আমাদের আশা আছে যে, সবুজ ক্রমে পেকে লালা হয়ে উঠবে। কিন্তু আমাদের অন্তরের আজকের সবুজ রস কালকের লাল রক্তে তবেই পরিণত হবে, যদি আমরা স্বধর্মের পরিচয় পাই এবং প্রাণপণে তার চর্চা করি।…বাঙালি জাতির হৃদয়মনের ভিতর অপূর্ব শক্তি আছে। যে শক্তি আজ আংশিকভাবে ব্যক্ত হইয়াছে, সেই প্রচ্ছন্ন শক্তির পূর্ণ অভিব্যক্তিই আমাদের সকলের সাধনার বিষয় হওয়া কর্তব্য।”

           বিশ্বায়নের কারণে বিদেশি সাহিত্য আমাদের পাঠকদের কাছে পরিচিত হয়ে উঠছে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে। তাই তাদের সাথে তাল মিলিয়ে আমরা যদি আমাদের সাহিত্যের মানোন্নয়ন না করতে পারি তবে পাঠকসমাজ খুব স্বাভাবিকভাবেই অন্য ভাষার সাহিত্যের প্রতি অনেক বেশ অনুরাগ প্রকাশ করবে এবং আমাদের সাহিত্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। তাই আকুল আবেদন জানাচ্ছি সাহিত্যিকদের প্রতি – আপনারা বাংলাকে, বাংলাদেশকে বিশ্বের নিকট আপনাদের সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্ঠা করুন। আমাদের শিল্প, সংস্কৃতি, সভ্যতা তথা মানুষকে আপনাদের লেখনিশক্তির মাধ্যমে ফুঁটিয়ে তুলুন।  মেতে উঠুন সুখের উল্লাসে। সৃষ্টি করুন আকর্ষণীয়, সুখপাঠ্য, বৈচিত্রময় ও জীবনবান্ধব সাহিত্য।

কমেন্ট করুন
শিক্ষার্থী | পরিসংখ্যান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

সেশন: ২০১৩ - ২০১৪

জাহিদ নূর

সেশন: ২০১৩ - ২০১৪

0