জীবনটা তোমার

ভারি মুশকিল! চাইছটা কী?
অন্য পথে যেতে পারছনা কী!
ঘণ্টা দুই যেদিকেই যাই,
পেছনে দেখি, কে তুমি মশাই?

তোমার জন্য দিতে পারি-
সহস্র পথ পাড়ি,
রাস্তার ধারে ঠাই দাঁড়িয়ে-
দেখি হে প্রেয়সী নারী।
অবলীলায় গিলতে পারি-
মুরব্বিদের ঝাড়ি।
বিশ্বাস কর তুমিই আমার
জীবনের পূর্ণতাদানকারী।

বাহ কী কাব্য, অপূর্ব-অনবদ্য সৃষ্টি,
খেলার ছলে কতশত কবিতার বৃষ্টি।

মিথ্যে বলিনি, এভাবে ভেবোনা-
তোমাকে কিছুই চাপিয়ে দেবোনা।
সিদ্ধান্তটা তুমিই নাও
প্রমাণ দেবো যদি তুমি চাও।

তাই বুঝি? ঠিক আছে!
কিছু আবদার তোমার কাছে-
আমার জন্য দাও জীবন,
ডুবে যাও ঐ পুকুরে কিংবা
ঝাঁপিয়ে পড় ছাদ থেকে।

এ জীবন তো তোমারই,
দিতে হলে দেবো তোমাকেই।
ডুবে কিংবা ঝাঁপিয়ে-
দাপট দেখিয়ে-কাঁপিয়ে,
কেন নষ্ট করব বৃথাই।
না হোক, তবু হয় যদি
কোনো বিপদ তোমার –
আমার রক্ত, চোখ, বৃক্ক বা হৃৎপিণ্ড
প্রতিস্থাপিত করতে দ্বিধা থাকবেনা আর।

আছি তো আমি সুস্থ,
হবে কি তবে চাঁদটা আনতে-
একটুখানি ব্যস্ত!

এক পা এগিয়ে দেখো,
জমাটবদ্ধ স্বচ্ছ পানিতে-
তোমার জন্য একচিলতে চাঁদের হাসি।
এবার এই লাল-গোলাপের গুচ্ছ-
নেবে কী নাকি করবে বাসি!

কমেন্ট করুন
শিক্ষার্থী | পরিসংখ্যান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

সেশন: ২০১৭-১৮

আশরাফুন জান্নাত সুপ্তি

সেশন: ২০১৭-১৮

0