অভিমানী ছেলেটা

অভিমানী ছেলেটা
চোখে অশ্রু জমে আছে,
যে কোনো সময় ঝর ঝর করে
বৃষ্টিপাত হবে।
ছেলেটার একটা ঘুড়ির খুব শখ।
আকাশে উড়বে ইচ্ছেস্বাধীন-
নাটাইয়ে হাত রেখে আকাশের
সবটুকু জুড়ে অবাধ বিচরণ।
বাতাসে কী এক খুশির আমেজ!
কিন্তু ঘুড়িটা বানিয়ে দেয়নি কেউ।
কাল পরীক্ষা তাই পড়তে হবে।
বাইরে যতই আমন্ত্রণ থাক,
আকাশে বাতাসে
প্রজাপতি আর পাখির
আনন্দলোকের নিমন্ত্রণ তো সবার থাকে না।
সেই ছেলেটার আনন্দ লুট হয়ে যায়।
প্রকৃতির বিশাল আনন্দযজ্ঞ তাকে ছাড়াই,
অথচ তাকে উপলক্ষ করে সেজেছে প্রকৃতি আজ-
মোহিনী সাজে
সব ফেলে ছেলেটা এখন
অন্ধকার ঘরে
অন্ধের মতো পড়া শিখছে।
বাইরের আকাশে বাতাসে ছড়ানো
আনন্দযজ্ঞে তার হাতে খড়ি হত আজ।

কমেন্ট করুন
প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক |

সেশন : ১৯৭২-৭৩

এম. আতাহারুল ইসলাম

সেশন : ১৯৭২-৭৩