গত ৫ই সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের QMH Statistics Club কতৃক আয়োজিত হয় একটি ইন্টারেক্টিভ ওয়েবিনার। ওয়েবিনারটি মূলত পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত যেসকল শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য বিদেশে যেতে চায় তাদের জন্য পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা স্বরূপ।
ওয়েবিনারটি পরিচালনা করেন পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসমিয়াহ সাদ সুতপা। এছাড়া স্পিকার হিসেবে ছিলেন পরিসংখ্যান বিভাগের বর্তমান শিক্ষকগণ এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা যারা বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে পিএইচডি করছেন। তারা হলেন –
১) মো: গোলাম রাব্বানী
২) আহসান রহমান জামী
৩) বিকাশ পাল
৪) মাকসুদা আক্তার তমা
৫) সিরাজুম মুনিরা হিয়া

শিক্ষার্থীদের থেকে পাওয়া সাধারণ প্রশ্নগুলোকে স্পিকারদের কাছে একের পর এক জিজ্ঞেস করতে থাকেন উপস্থাপিকা তাসমিয়া সাদ সুতপা।
তিনি প্রথমেই প্রশ্ন করেন শিক্ষার্থীদের মধ্যে থাকা মাস্টার্স বাংলাদেশে করা এবং না করার দ্বিধা নিয়ে। এই প্রশ্নের উত্তরে আহসান রহমান জামি বলেন, এইটি শিক্ষার্থীদের নিজেদের বিবেচনা করতে হবে। শিক্ষার্থীদের নিজেদেরকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা মাস্টার্স করে আসতে চান নাকি ব্যাচেলরস শেষ করে আসতে চান। মাস্টার্স শেষ করে আসলে ৫৪ ক্রেডিট এবং ব্যাচেলরস শেষ করে আসলে ৭২ ক্রেডিট পড়তে হয়। সেক্ষেত্রে বিএস সম্মানের রেজাল্ট পাবার পরই শিক্ষার্থীদের একটি চেক এন্ড ব্যালেন্স করার পরামর্শ দেন তিনি। মাস্টার্সে কোর্স ওয়েভ করার চাইতে এসে কোর্স করে ফেলা ভালো এই কথাটিও তিনি উল্লেখ করেন।
দ্বিতীয়ত সিরাজুম মুনিরার কাছে জানতে চাওয়া হয় থিসিস এবং নন-থিসিসের ব্যাপারে। কেননা তিনি একই সাথে মাস্টার্সে থিসিস করেছিলেন এবং বাহিরে যাবার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিলেন।
এর উত্তরে তিনি জানান, থিসিস করাটাকে তিনি অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন। কেননা প্রথম বছর বাইরে যাওয়া না হলেও পরবর্তীতে আরও সুযোগ রয়েছে। এরপর তিনি ফোকাস করেছিলেন IELTS এর দিকে। GRE প্রস্তুতি যেহেতু কিছুটা সময়সাপেক্ষ হয়, তাই থিসিসের পাশাপাশি তিনি GRE প্রস্তুতি গ্রহণ করেননি। পরিশেষে, শিক্ষার্থীরা নিজেরা কি চায় সেই ব্যাপারে তাদের পরিষ্কার ধারণা থাকার কথাটিও তিনি উল্লেখ করেছেন।
পরবর্তীতে আহসান রহমান জামির কাছে জানতে চাওয়া হয় যেসকল শিক্ষার্থীদের ফলাফল মাঝারি, পাবলিকেশন, রিসার্চ এক্সপিরিয়েন্স নেই সেসকল শিক্ষার্থীরা বিদেশে পড়াশোনা করতে যাবার ক্ষেত্রে কি চিন্তা করবে কিংবা তাদের সুযোগ কতটুকু আছে? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, শুধু ফলাফল সকল ওজন বহন করে না বাহিরে যাবার ক্ষেত্রে। GRE, IELTS, TOEFL, SOP (Statement of purpose), LOR (Letter of Recommendation), CV এইগুলো আরও অনেক ওজন বহন করে। যদি ফলাফল মাঝারি ধরনের হয় কিন্তু বাকি জিনিসগুলো ভালো থাকে, তাহলে একটি ভালো সুযোগ থাকে বাহিরে যাবার। পাবলিকেশন এবং গবেষণার ক্ষেত্রে, বিশেষ করে প্রত্যেকটি পাবলিকেশন এক একটি সার্টিফিকেটের মতন কাজ করে বলে জানান তিনি।
এরপর বিকাশ পালের কাছে জানতে চাওয়া হয় যদি কেউ ৪-৫ বছরের পড়াশোনার গ্যাপে থেকে থাকেন তাহলে মিড ক্যারিয়ার পর্যায়ে বাহিরে পড়তে যেতে চাইলে তার করণীয় কি হবে? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, অনেক বিশ্ববিদ্যালয় বয়স যাচাই করে শিক্ষার্থী নিয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে পড়াশোনার গ্যাপ থাকলে GRE, IELTS, পাবলিকেশন এই জিনিসগুলো বেশি প্রাধান্য পেয়ে থাকে। একই প্রশ্নে মাকসুদা আক্তার তমা বলেন যে, গ্যাপ থাকলে সেক্ষেত্রে ইন্টার্নশিপের অভিজ্ঞতা কাজে লাগে।
অতঃপর মাকসুদা আক্তার তমার কাছে জানতে চাওয়া হয় কোন মাস যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যাওয়ার জন্য সবচাইতে উত্তম? এর উত্তরে তিনি বলেন, বিষয়টি একেক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একেক রকম। তবে সাধারণত ফলে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) যাওয়া উত্তম। সেক্ষেত্রে নভেম্বরের শেষ দিক অথবা ডিসেম্বরের ১ম সপ্তাহ বেশি উত্তম। যদি তাই লক্ষ্য হয়ে থাকে হয়ে থাকে তবে অক্টোবরের মধ্যে GRE, IELTS শেষ করে SOP এবং ডকুমেন্টস রেডি করে ফেলা উচিত।
একই প্রশ্নের ধারাবাহিকতায় সিরাজুম মনিরাকে জিজ্ঞেস করা হয় তিনি কখন IELTS দিয়েছিলেন?
তিনি জানান যে, তিনি সেপ্টেম্বরে IELTS পরীক্ষাটি দেন এবং একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয় তালিকা, SOP, CV রেডি করে রাখেন। তিনি আরও সংযোজন করেন যে, তিনি IELTS এর জন্য এক মাস প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। তিনি আরও পরামর্শ দেন, যারা GRE দিতে চায়, তারা যেন GRE, IELTS কম সময় ব্যবধানেই দিয়ে দেন এবং একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্তই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েভার পাওয়া যায়, সেইটির দিকে যেনো খেয়াল রাখে সকলে।
ওয়েবিনারের এই পর্যায়ে সকলের সাথে যোগদান করেন পরিসংখ্যান বিভাগের একজন সিনিয়র শিক্ষক মোঃ গোলাম রাব্বানী।
স্যারকে সালাম জানিয়ে স্যারকে প্রথমে জিজ্ঞেস করা হয় GRE এর ব্যাপারে যেহেতু এইটি একটু কঠিন এবং একই সাথে এর প্রস্তুতিও সময়সাপেক্ষ। এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, মোটামুটি প্রস্তুতি থাকলেও যাতে শিক্ষার্থীরা GRE পরীক্ষায় বসে। একই সাথে তিনি আরও জানান যে, GRE এর পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে Duolingo গ্রহণ করে থাকে যেটি কিনা তুলনামূলকভাবে সহজ। কিন্তু তিনি SOP কেউ সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বলে আখ্যা দেন। পরবর্তীতে তিনি মিড ক্যারিয়ার এবং পাব্লিকেশন নিয়েও কথা বলেন। তিনি জানান যে, পরিসংখ্যান থেকে পাশ করা নবীনদের জন্য পিএইচডি প্রোগ্রামটি বেশি সহজ এবং এই সাবজেক্টের গ্রহণযোগ্যতা সেই দেশে বেশি। একই সাথে তিনি আরো বলেন, মিড ক্যারিয়ারে কেউ আসতে চাইলে সে জেনো সবকিছু ভূলে আসে অন্যথায় তার পক্ষে সেখানে টিকে থাকা কিছুটা কষ্টদায়ক হবে। নবীনদের ক্ষেত্রে ভালো উপার্জন একটি অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে থাকে। পরবর্তীতে উপস্থাপিকা বিকাশ পালের কাছে জানতে চান তিনি কত সময় ধরে তার IELTS পরীক্ষাটির প্রস্তুতি নিয়েছিলেন এবং এই পরীক্ষাটি দেওয়ার জন্য তিনি কি কৌশল অবলম্বন করেন? উত্তরে তিনি বলেন, দেশের তৎকালীন পরিস্থিতি ভালো না থাকায় তিনি ২ মাস সময় পেয়েছিলেন। তিনি প্রতিনিয়তই ইংরেজিতে কিছু শোনা, পড়ার মধ্যে থাকতেন। তিনি প্রথম বর্ষ হতে তৃতীয় বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীদের রেগুলারিটি এবং ইংরেজি পরিবেশ তৈরি করার পরামর্শ দেন। সেক্ষেত্রে বিভিন্ন পডকাস্ট, TEDEX, নেটিভ স্পিকারদের বক্তব্য শোনার পরামর্শ দেন তিনি।এছাড়া একটি শিক্ষামূলক প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে যাওয়ার কথা বলেন তিনি।
অত:পর সিরাজুম মুনিরার কাছে জানতে চাওয়া হয় তিনি তার SOP কিভাবে প্রস্তুত করেছিলেন? তিনি বলেন যে, প্রথমত তিনি সিনিয়রদের SOP থেকে ধারণা নিয়েছিলেন, তিনি একটু ভিন্নভাবে তার SOP প্রস্তুত করতে চেয়েছিলেন। তিনি তার SOP তে মাস্টার্স করার কথাটি উল্লেখ করেননি। কিন্তু তিনি তার থিসিস, চলমান গবেষণা, পাবলিকেশন, পরিসংখ্যানের যাত্রা ইত্যাদি উল্লেখ করেছিলেন।
এরপর সুতপা ম্যাম মাকসুদা আক্তার তমার কাছে করেন তার CV, SOP ইত্যাদি প্রস্তুত করার গল্প জানতে চান। অতঃপর তমা বলেন, সাধারণ CV এবং একাডেমিক CV কিছুটা ভিন্নধরনের হয়। একাডেমিক CV এর গঠন কিছুটা ভিন্নধর্মী হয়, এতে উল্লেখ থাকে তিনি পরিসংখ্যানের কোন দিকটিকে বেশি পছন্দ করেন। এতে সিনিয়রদের CV দেখে সাহায্য নেওয়ার কথাও তিনি বলেন। এরপর তিনি SOP কে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বলে আখ্যা দেন। CGPA কম থাকলে সেক্ষেত্রে SOP তে GRE, IELTS, অন্যান্য অভিজ্ঞতা, এই ফিল্ডে আপনি কি করতে চান? আপনার গবেষণার অভিজ্ঞতা, বিশ্ববিদ্যালয় আপনাকে নিলে কি পাবে ইত্যাদি উল্লেখ থাকতে হবে। তমার কোন গবেষণার অভিজ্ঞতা ছিল না, কিন্তু তিনি তার ইন্টার্নশিপের অভিজ্ঞতাটিকে ফুটিয়ে তোলেন, পাশাপাশি ডিপার্টমেন্টের জাফর আহমেদ খান স্যারের পরামর্শে বিভিন্ন অর্গানাইজেশন থেকে লাভ করা অভিজ্ঞতাগুলোও তিনি সংযোজন করার কথা জানান। পরিশেষে তিনি এই বলেন যে অভিজ্ঞতাকে SOP তে ফুটিয়ে তুলতে পারলে সেইটি ভালো SOP বলে বিবেচিত হবে।
অতঃপর উপস্থাপিকা সুতপা ম্যাম একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট কিভাবে তুলতে হয় সে বিষয়টি তুলে ধরেন। একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট তোলাসহ আনুষাঙ্গিক বিষয় তুলে ধরেন বিকাশ স্যার-একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট তোলার জন্য বর্তমানে অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন করতে হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার বিল্ডিং এর ৩০৯ নং রুমে। একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট তোলার সকল নির্দেশনাবলী দেয়া রয়েছে, ইমারজেন্সিতে এক সপ্তাহের মধ্যে যা তোলা সম্ভব।
পরবর্তীতে সুতপা ম্যাম Letter of Recommendation বিষয়টির উপর আলোকপাত করলে শিক্ষার্থী সিরাজুম মুনিরা এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং তার মতে, যে সকল শিক্ষকের সাথে শিক্ষার্থীরা সরাসরি কাজ করেছে বা যে সকল শিক্ষক তাকে ভালোভাবে চেনেন তাদের কাছ থেকে Letter of Recommendation নেওয়া ভালো; যুক্তরাষ্ট্রে আবেদন করতে গেলে সাধারণত ৩টির বেশি Letter of Recommendation লাগে না। একই সাথে সুতপা ম্যাম বিশ্ববিদ্যালয় selection বিষয়টি তুলে ধরেন। এ বিষয়ে জামি স্যারের মতে প্রথমে বিবেচনা করতে হবে স্টুডেন্ট কোন প্রোগ্রামে যেতে চায় এবং স্টুডেন্টের প্রোফাইলটি কোন ইউনিভার্সিটির জন্য suitable; পাশাপাশি ইউনিভার্সিটি লিস্ট তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাবলী তিনি তুলে ধরেন।এক্ষেত্রে Top, Midrange, lower mid range-৩ ধরনের ইউনিভার্সিটির combination তিনি লিস্টে রাখার কথা বলেন এবং স্যারের মতে Biostatistics থেকে Statistics প্রোগ্রামে ফোকাস করে ইউনিভার্সিটি সিলেকশন করলে Costing তুলনামূলক কম পড়বে কারণ ইদানিং Bio statistics এ Funding একটু কমে গিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় selection এর ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা location, costing, weather সহ যে সকল সমস্যার সম্মুখীন হয় সেগুলো তুলে ধরেন রাব্বানী স্যার। স্যারের মতে যেসব অঞ্চলের আবহাওয়ার সাথে স্টুডেন্ট খাপ খাইয়ে নিতে পারবে, সেসব অঞ্চলের ইউনিভার্সিটিকে অগ্রাধিকার দেয়া ভালো এবং Mid-career people দের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় ইতালি, অস্ট্রেলিয়া, স্পেন-এসব দেশের ইউনিভার্সিটি গুলো ভালো হবে কারণ তারা রিসার্চের উপর অনেক বেশি ফোকাস করে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের দের নিয়ে একটি গ্রুপ খোলার আশা ব্যক্ত করেন যাতে শিক্ষার্থীরা তাদের সমস্যাগুলো সিনিয়রদের সাথে আলোচনা করে সমাধান করতে পারে।
অতঃপর সুতপা ম্যাডাম costing এর বিষয়টি তুলে ধরেন। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থী সিরাজুম মুনিরা IELTS, GRE, University application, visa application সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে average costing তুলে ধরেন। একইসাথে বিকাশ স্যার ও একজন শিক্ষার্থীর estimated total costing তুলে ধরেন।
এরপরে শিক্ষার্থী মাকসুদা তমার তুলে ধরেন মেয়েরা যুক্তরাষ্ট্রতে shift হওয়া নিয়ে কি কি pros and cons face করতে পারে এবং তার মতে যুক্তরাষ্ট্র নারীদের জন্য নিঃসন্দেহে একটি নিরাপদ জায়গা। পরবর্তীতে সুতপা ম্যাম শিক্ষার্থীদের comments এর প্রশ্নগুলো তুলে ধরেন। শিক্ষার্থী মাকসুদা আক্তার তমা এবং জামি স্যার শিক্ষার্থীদের এ সকল প্রশ্নের সমাধান দেন। সবশেষে QMH ক্লাবের কনভেনর এরশাদুল হক স্যার প্রোগ্রামটিতে অংশগ্রহণ করেন এবং সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানান সুন্দরভাবে এ প্রোগ্রামটি আয়োজন করার জন্য। যে সকল শিক্ষার্থী USA যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে এবং প্রস্তুতি নিচ্ছে তাদেরকে এই প্রোগ্রামটি বিশেষভাবে সাহায্য করবে-স্যার এ আশা ব্যক্ত করেন। এভাবে QMH ক্লাবের আয়োজিত এই প্রোগ্রামটির পরিসমাপ্তি ঘটে।
প্রতিবেদক
কাজী শাফিন আলম (সেশন: ২২-২৩)
যারীন তাসনীম অনন্যা (সেশন :২২-২৩)





