ডাবল-অ্যাক্রস্টিক

অ্যাক্রস্টিক ধাঁচের কবিতার সাথে পরিচিত হলাম মাত্র ক’দিন আগেই। এই ম্যাগাজিনেরই জাফর স্যার এর লেখায়। আমিও ভাবলাম একটু চেষ্টা করে দেখা যাক। লিখে ফেললাম যাকে বলা যায় ডাবল- অ্যাক্রস্টিক। প্রত্যেক লাইনের প্রথম অক্ষরগুলি পরপর লিখলে হবে অধ্যাপক ড. জাফর আহমেদ খান। আবার মাঝের ভরাট অক্ষরগুলির ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। যেহেতু স্যারের লেখার মাধ্যমে অ্যাক্রস্টিকের সাথে সাক্ষাৎ হলো তাই ভাবলাম স্যারকে নিয়েই লেখা যাক। লিখলামও তাই। কিন্তু বিপত্তি বাধলো লেখা শেষ করার পরে।  কবিতায় তো তুলে ধরেছি সুন্দরী এক রমণীর রূপ যার সান্নিধ্য লাভ হলো তার প্রেমিকের কিন্তু তা ক্ষণিকের জন্যে! সাধে কি বলে- অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী!

লকে তার খেলতো অলি, শোক ফুলের ‘পরে
ধ্যানস্থ সব মুনি ঋষির ধ্যান সে হরণ করে।

দযুগল আলতারাঙা, রে রুপোর পায়েল
পালখানা স্বর্ণ বরণ, রলো এমন ঘায়েল।
র মাখা চোখ, দুলিয়ে ভূলোক বকা মেয়ের চলা
জান নেওয়া দুই ঠোঁটের হাসি, জাদুর কণ্ঠে বলা।

ল হলো এই — সকাল সাঁঝে ল-ফুল-জল লয়ে
সিক এ মন পূজে তারে, রঙ্গ চাতক হয়ে

লতো করে চিবুক ধরে, লগোছে হায় কখন
ঠাৎ করেই প্রথম ছোঁয়া, লেও হঠাৎ আপন।
মেলায় সেবার দেখেছিলাম, মেরুন টিপটি আঁকা,
র্শনেতেই মন হারালাম, মিয়ে না যায় রাখা।

খালি হাতেই ফিরিয়ে দিলে, খারাপ তুমি, বাজে
ইলে কেন পর হলে আজ, ববধূর সাজে।

কমেন্ট করুন
শিক্ষার্থী | পরিসংখ্যান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

সেশনঃ ২০১৬-১৭

হরিপদ শীল

সেশনঃ ২০১৬-১৭

0