ফুল কথনঃ জুলিয়েট রোজ

“What a lonely place it would be to have a world without a wildflower!”- Roland R. Kemler

ফুল ছাড়া পৃথিবীর সৌন্দর্য কল্পনাই করা যায় না। যেখানে আবেগ, অনুভূতি, মায়া-মমতা, ভালোবাসা আর শুভকামনার বহিঃপ্রকাশ মানেই ফুলের উপস্থিতি। ফুল শুধু প্রশান্তি বা শুদ্ধতাই বহন করে না, সাথে বহন করে বেঁচে থাকার অসম শক্তি আর সাহস।

ফুলের কথা বলতে গেলে সর্বপ্রথম আমাদের চোখে ভেসে আসে ফুলের রানী গোলাপের কথা। কিন্তু আজকে অন্য রকম এক গোলাপের গল্প বলবো।

“জুলিয়েট রোজ”- নামে যেরকম একপ্রকার রাজকীয়তার ছাপ বহন করে তেমনি বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়েও অনন্য এই গোলাপ। 

২০০৬ সালে সর্বপ্রথম এই গোলাপ নজরে আসে বিশ্ববাসীর। বৃটেনের ডেভিড চার্লস অস্টিন নামক এক গোলাপ ফুল চাষী সর্বপ্রথম এই ফুল সফলতার সাথে ফোটাতে সক্ষম হন। সবচেয় চমকপ্রদ ব্যাপার হলো এই ফুলের বাস্তব অবয়ব দেখতে ১৫ বছর অপেক্ষা করতে হয়। আর অস্টিনের দীর্ঘ ১৫ বছরের সাধনা এই জুলিয়েট। 

এই গোলাপ গাছ লম্বায় সর্বোচ্চ ৩.৫ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। পরিপূর্ণ পরিচর্যার উপস্থিতিতে এই ফুল ভালোভাবে প্রস্ফুটিত হয় এবং প্রকৃতিকে তার উপস্থিতি জানান দেয় হালকা পিচ রঙের মোড়কের অভ্যন্তরে থাকা ডিপ পিচ রঙের গুচ্ছাকার পাপড়ির “জুলিয়েট রোজ”। বিশ্বের সবচেয়ে দামী ফুলের মধ্যে এই ফুল অন্যতম।

আরো একটি বিস্ময়কর ব্যাপার হলো এই গোলাপটির মধ্যে রয়েছে রোগ প্রতিরোধ করার অনন্য ক্ষমতা এবং পোকামাকড় থেকে নিজেকে রক্ষা করার মতো স্রষ্টা প্রদত্ত শক্তি।

প্রকৃতি আমাদের জন্য এক মহান শিক্ষক তার অনন্য উদাহরণ বলা যায় এই “জুলিয়েট রোজ”। ধৈর্য্য, সহনশীলতা, আত্মনির্ভরশীলতা, প্রকৃতি জয় ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের এক অন্যতম দৃষ্টান্ত বলা যায় এই ফুল। উৎসঃ গুগল (পরিমার্জিত)

কমেন্ট করুন
শিক্ষার্থী | পরিসংখ্যান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়