সম্পাদকীয় – জুন ২০২১

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে কিছু কথা বলা দরকার।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অদক্ষতায় করোনার টিকা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। পনেরো লক্ষের বেশি মানুষ কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজ নেয়ার পর এখন পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজ পাননি (bdnews24.com, ১১ মে ২০২১)। তারা দ্বিতীয় ডোজ কবে পাবেন কেউ জানে না। এমনকি, দ্বিতীয় ডোজে তারা কোভিশিল্ড না-ও পেতে পারেন। তাদেরকে বলা হচ্ছে, এক ধরনের টিকা দুইবার না নিয়ে দুই ধরনের টিকা নেয়া ভালো (অর্থাৎ, আঙুর ফল টক)।

প্রশ্ন হলো, পনেরো লক্ষ লোককে এক ডোজ টিকা দিয়ে বসিয়ে না রেখে সাড়ে সাত লক্ষ লোককে দুই ডোজ টিকা কেন দেয়া হলো না? কতগুলো টিকা মজুত আছে, কতজনকে কখন কোন্ ডোজ দেয়া যাবে – এসব শিখতে কি কর্মকর্তাদের বিদেশে ট্রেনিং দরকার?

ছাত্র-ছাত্রীরা কবে টিকা পাবে? আদৌ পাবে কি?

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবাসিক হল না খুলেই পরীক্ষা নেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মানে দাঁড়ায়: ছাত্ররা পাবলিক বাসে গাদাগাদি করে যাতায়াত করলে বা জনবহুল মেসে থাকলে তাদের করোনা হবে না। করোনা হবে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে থাকলে।

যখন যে ব্যাচের পরীক্ষা নেয়া হবে, তখন সেই ব্যাচের ছাত্রদের হলে থাকার ব্যবস্থা করা কি এতটাই কষ্টসাধ্য?

দায় এড়িয়ে চলার নীতি আমাদের পরিহার করা উচিত। বিশেষ করে এই মহামারির কালে।

সবার জন্য শুভ কামনা।

কমেন্ট করুন

প্রাক্তন শিক্ষার্থী

পরিসংখ্যান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

সেশনঃ ১৯৮৩ - ৮৪

জাফর আহমেদ খান

প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিসংখ্যান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেশনঃ ১৯৮৩ - ৮৪

0