বিশ্বাসের সুলুক

ঐ নতুন ঝাড়বাতিতে যখন সন্ধ্যা নামে
নৈঋত কোণে তখন কুয়াশার চড়ুইভাতি।
দৃষ্টিতে ঝাপসা হয়ে আসা ঐ ছোট্ট সবুজ বিন্দু,
বিশ্বাসের প্রতি কিণাঙ্কে চলেছে সুলুকসন্ধান।
নিদ্রাহীন চোখের লোহিত শুষ্কতটে
স্মৃতিগুলো ঘুমিয়ে পড়ে বিনিদ্র রজনীর ক্লান্তিতে।

কুয়াশায় লেপ্টে গিয়ে –
ছাদহীন চারদেয়ালে শব্দেরা প্রতিধ্বনি তোলে।
ঐদিকে শীতের আমেজে
মখমলের ভাঁজে সুর তোলে নতুন পারফিউম!
বাতির আলোয় ঝলমলিয়ে ওঠা হিরণ্যের বাহার
জাগিয়ে তোলে তোমায় ময়ূরের পুচ্ছে,
যা চুপসে ছিল বহুকাল;স্মৃতিতে কাকভেজা হয়ে।

বসন্তের দুয়ারে দাঁড়িয়ে পর্ণমোচীর স্বরূপে জেগে ওঠা
ভাওয়াল গড়ে ছুঁড়ে ফেলা পুরাতনের সব পাতা;
দক্ষিণের লবণাক্ততায় তেঁতিয়ে ওঠা বিষন্ন সরসিজের কোল জুড়ে সুমিষ্ট জলেরা
আজ দিয়েছে শীতলতার প্রাণবায়ু।
তিক্ততার বাসর শেষে অমৃতের পিপাসায় এই বিস্মৃতি
নির্লিপ্ততার উপাখ্যানের এই শেষ অঙ্কে
কর্মই তোমার অন্তিম মার্গের দিশা দিক।

কমেন্ট করুন
প্রাক্তন শিক্ষার্থী | সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, চুয়েট

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

প্যাপাইরাসের অনলাইন সংস্করণের ৪র্থ বর্ষপূর্তি

প্রতিযোগিতাটি শুধুমাত্র পরিসংখ্যান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য