আহত প্রকৃতির প্রসাদ

ব্যস্ততার নাট্যশালায় আজ শূন্যতার জয়গান
রাজপথে কোনো অশরীরী আগন্তুক রুদ্রের প্রলয় নৃত্যরত
পাপের কালিমালিপ্ত অবনীর পুণ্যভূমিও এখন গ্রাসিত।
রাস্তার যানজট জায়গা করেছে নাসাগ্রে
প্রতিটা নিশ্বাস যেখানে পরতে পরতে থামছে।
ভয়ার্ত গ্রহণমুখের উৎকণ্ঠিত চিত্ত দোলা দিচ্ছে সেই আগন্তুককে
মানবের প্রতি পদাঙ্কে কুয়াশাচ্ছন্ন ভবিষ্যৎকে সাপটে দিয়েছে সে
জাতকের প্রাণ সঞ্চালনকে আটকে দিয়েছে মাতৃত্বের স্পর্শহীন যূপকাষ্ঠে
নিভৃত প্রকোষ্ঠে আবদ্ধ বৃদ্ধের শেষ দৃষ্টিতে তনয়ার মর্মভেদী শব্দহীন আর্তনাদ
জীবনভর নির্লিপ্ত বাসনার ভবঘুরেও আজ থেমেছে।
অসীমের পানে যাত্রা-
শেষ যাত্রাবিরতি টুকুই এখন বাকি।
যাত্রীছাউনীর নিচে তার এখন অনেক সঙ্গী
মালয়-হিমালয় চষে বেড়ানো বিরতিহীন চোখেও,
আজ বিরতির সময়ক্ষেপণ চাইছে।
দেখার যে অনেক বাকি!
দাম্পত্যের সুবর্ণ জয়ন্তী শেষ করা সদ্য জুটিও আজ বিচ্ছেদ চাইছে
অনেক তো হলো!
দুজন দু পাড়ে না হয় কিছুটা কাটাই।
সবই ঘটছে স্বাভাবিক নিয়মে
অবুঝ মানবের ত্রাহি ত্রাহি রবে স্রষ্টা তাই নিরুপায়।
অলঙ্ঘনীয় পরিণয়ের পিতা যে আমরাই
সন্তানকে স্বীকারের সময় এসেছে
গ্রহণ করো, হে মানবজাতি।

কমেন্ট করুন
প্রাক্তন শিক্ষার্থী | সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, চুয়েট

0