স্মৃতির নাগরদোলা

রাতের কালশিরায়
জীর্ণ বালিশের অদ্ভুত ঘ্রাণে
নিউরনের জটে ফিরে পাই অতীত।
যেথায়-
শতচেষ্টায় জমে না বইয়ের স্তুপ,
কিন্তু অনাদরে পড়ে রয়
আলোআঁধারি খেলায় জটপাকানো সেই স্মৃতি
মাঝে মাঝে কিছু অদ্ভুত ঘ্রাণের সমাবর্তন নামে নাসারন্ধ্রে
সুডোকু পাজেলে যুক্ত হয় সেই ঘ্রাণের সমসাময়িকে
কালো ধূলোয় চিটচিটে স্মৃতি উঁকি মারে জটপাকানো সুতায়।
পেশিগুলো তখনও পোক্ত হয়নি; সেই হেলেদুলে চলা
কিন্তু নিউরনে পাক ধরেছে ঠিকই।
সেই ভয় দেখাতে আসা বুড়ি
দোলনায় শুয়ে থাকা; নিজের ভয়ার্ত চাহুনি
টবের বাগানে হেসে ফোটা ছন্নছাড়া ফুল
কিংবা গৃহের উৎসবে হতবিহ্বল দৃষ্টিতে আমি
সেই লুচি কিংবা ফলাহারের ঘ্রাণ,
এই গুমোট আঁধারেও ডুবেনি ওসব!
অযত্নে পড়ে থাকা ক্যাসেটের ফিতার মতো স্মৃতি,
কোথাও তাই সব ঘোলাটে
আবার কোথাও শরতের বিকেল হয়ে
চোখের পাতায় নামে উন্মীলিত সরসিজ
রিলে হয় আলো-আঁধারির ছন্দে।
বাস্তবতার নিগড়ে এগুলো নিছক আদিখ্যেতা
নিষ্ক্রিয়তায় দাঁড়িয়ে বুভুক্ষু মনের স্মৃতিবিলাস আর কি!

কমেন্ট করুন
প্রাক্তন শিক্ষার্থী | সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, চুয়েট

0